জঙ্গি তত্পরতায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ

জেএমবির আইটি বিশেষজ্ঞসহ আটজন গ্রেফতার

জঙ্গি তত্পরতায় সম্পৃক্ততার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে একজন আইটি বিশেষজ্ঞসহ আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র্যাব রবিবার গভীর রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে একজন রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানের কর্মী বলে জানানো হয়েছে। আটককৃত হলেন- আরাফাত আজম, রাশেদ আলম বাঁধন, মীর আফজাল আলী, মাহাদী হাসান, বদিউজ্জামান হাওলাদার অনিক, জামাল উদ্দিন শোভন, জারির তাইসির এবং আসিফুর রহমান। এরা সবাই উচ্চশিক্ষিত এবং স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছে।  তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে জঙ্গিবাদে ব্যবহূত ল্যাপটপ, মোবাইল ও বিপুল পরিমাণ  উগ্রবাদী বই। গতকাল সোমবার কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান। তিনি জানান, রবিবার গভীর রাতে র্যাব-১, র্যাব-২ যৌথ অভিযানে মোহাম্মদপুর, ডাটারা ও কলাবাগান থেকে ধরা হয় এদেরকে। এরা সবাই জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ‘রেডিক্যাল ইয়ুথ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।

মুফতি মাহমুদ খান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পারি, এই গ্রুপে ৩০ থেকে ৩৫ জন সদস্য রয়েছে। সংগঠনটি শুভাকাক্ষী ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা অর্থে পরিচালিত হয়। গ্রুপের সদস্যরা শিক্ষিত, স্বচ্ছ ও পেশাজীবীদের তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করতো। মূলত কার্যক্রমের জন্য অর্থের যোগানদানের জন্য তাদের সদস্যপদ দিতো। র্যাবের এ কর্মকর্তা আরো জানান, আরাফাত আজম একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তিনি ২০১৬ সালে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে পাস করে পাঠাওয়ে আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মুফতি মাহমুদ জানান, জেএমবির এই সদস্যরা বিভিন্ন পেশায় অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। তারা বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আমাদের ধারণা।  তিনি জানান, নিহত জঙ্গি নেতা তামিম চৌধুরীর গ্রুপের সক্রিয় সদস্য বাশারুজ্জামান চকলেটের সঙ্গে এদের তিন জনের যোগাযোগ ছিল। সাত থেকে আট মাস নজরদারিতে রাখার পর এদের ধরা হয়েছে।