গাইডলাইন
লক্ষ্য যখন গ্লোবাল প্রফেশন
প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০১৩, ১৫:২৯
বাংলাদেশে এসএসসি, এইচএসসি, এ-লেভেল, ও-লেভেল শেষ করে শিক্ষার্থীরা সাধারণ একাডেমিক বিষয় নিয়ে পড়ার পাশাপাশি দেশের বাইরে গিয়েও পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। অথচ প্রফেশাল অ্যাকাউন্টিংয়ের মতো ব্যতিক্রমধর্মী গ্লোবাল কোর্স সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিলে শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পূর্বেই সাধারণত চাকরির নিশ্চয়তা পেয়ে যেতে পারেন। আবার এটি আন্তর্জাতিক ডিগ্রি হওয়ার কারণে দেশে বসেই বিদেশি ডিগ্রি অর্জন করতে পারছে অন্যদিকে এই কোর্স করার পর পুরো বিশ্বজুড়েই শিক্ষার্থীর কর্মক্ষেত্র বিদ্যমান থাকে। প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিংয়ের আওতাভুক্ত রয়েছে এসিসিএ, সিএটি, এফআইএ যা সিএ, আইসিএমএ, সিআইএমএ, সিপিএ প্রভৃতির সমমানের। সিএ এবং এসিসিএ’র সাধারণ পার্থক্য বিবেচনা করা হলে দেখা যাবে সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ হচ্ছে ব্রিটিশ কারিকুলাম। এ কোর্সটি করে বহুজাতিক কোম্পানি বা কর্পোরেট অফিসে উচ্চ বেতনে বিশেষ করে চিফ ফাইন্যান্স অফিসার, অডিটর, আন্তর্জাতিক অ্যাকাউন্টিং ফার্মে পার্টনার, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর, সিনিয়র ইন্টারনেল অডিটর, বিজনেস অ্যাডভাইসর প্রভৃতি পদে চাকরি করতে পারে। বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে এসিসিএ’র নিজস্ব অফিস রয়েছে এবং বাংলাদেশেও এসিসিএ অফিস খুলেছে। এটি একমাত্র কোর্স, যা যেকোনো পর্যায়ে ইংল্যান্ডসহ ১৭৩টি দেশে শতভাগ ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়।
সিএটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন যেখানে অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক থেকে শেখানো হয়। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায় এসএসসি ও এইচএসসি পাস শিক্ষার্থীরা (সিএটি) কোর্সে ভর্তি হতে পারে। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও-লেভেল শেষে এফআইএ-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করতে পারে। আবার এ-লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। তবে কারো অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যাহতি পেতে পারে। এ বিষয়ে আরও জানতে কথা বলতে পারেন এই নম্বরে ৮১৪১৬০১, ০১৭২০৫৫৩২৭৮|
এইচএসসির পর সরাসরি এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। আবার এসএসসি শেষ করে (এফআইএ) করে ও এই কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এফআইএ শেষ করে সিএটি সম্পন্ন করে এসিসিএ কোর্স সম্পন্ন করা যায়। এসএসসি পাস শিক্ষার্থীদের এফআইএ সম্পন্ন করতে হবে বেশ ক’টি বিষয়। এগুলো হচ্ছে রেকর্ডিং ফাইন্যান্সিয়াল ট্রানজেকশন, মেনটেনিং ফাইন্যান্সিয়াল রেকর্ড, অ্যাকাউন্টেন্ট ইন বিজনেস, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন, মেনটেনেন্স কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং প্রভৃতি। এফআইএ শেষে সিএটি করতে আরও দুটি সাবজেক্ট সম্পন্ন করতে হবে। এ দুটি হচ্ছে ফাউন্ডেশন ইন ট্যাক্সেশন এবং ফাউন্ডেশন ইন ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট। এরপর এসিসিএ করতে আরও তেরটি বিষয় সম্পন্ন করতে হবে। সরাসরি (এসিসিএ) কোর্সে বিষয় ১৪টি। অন্যদিকে এফআইএ করে সিএটি সহ করলে সাবজেক্ট ২০টি। এসিসিএ বছরে ৩টি করে বিষয় পাস করলে প্রায় সাড়ে ৪ বছর আর ৪টি করে বিষয় পাস করলে সময় লাগবে সাড়ে ৩ বছর। এসিসিএ অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং ৯টি পেপার ৯০০ নম্বর। এটি প্রতি বছর ৩টি পেপারে সর্বোচ্চ ৩ বছর এবং ৪টি করে আড়াই বছরে পাস করা যায়। এ বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় বাড়ি-৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা। এ দেশে এই কোর্স পরিচালনার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ যেখানে রয়েছে প্রয়োজনীয় সুবিধা। এদের রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে হাই কোয়ালিফাইড একশ জনেরও বেশি দক্ষ শিক্ষক। সিইউসি নিজস্ব সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরীক্ষার প্র্যাকটিস করানোর ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা ফাইনাল পরীক্ষায় ভালো ফলাফল লাভ করছে। ভর্তি ক্ষেত্রে স্কলারশিপ সুবিধা রয়েছে।