বাঁশখালীতে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সোলতান বাহাদুর (৪৭) নামের এক ডাকাত নিহত হয়েছে। সে ছনুয়া ইউনিয়নের খুদুকখালী গ্রামের শাহ আলমের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বাঁশখালী, চকরিয়া, কুতুবদিয়াসহ বিভিন্ন থানায় খুন, ডাকাতি, অস্ত্রআইন, চাঁদাবাজি, জমিদখলসহ বিভিন্ন অপরাধে ১১টি মামলা রয়েছে। এছাড়া বাঁশখালী থানায় ডাকাতি মামলার ২টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এর কাছ থেকে ২টি দেশীয় তৈরি এলজি ও ২৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত ১১ টা ৩০ মিনিটের সময় র্যাব-৭ এর টহলদল পুঁইছড়ি ইউনিয়নের আরব শাহ বাজারের উত্তর পাশে পৌঁছলে এক সশস্ত্র ডাকাতদল র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। ওই সময় র্যাব-৭ এর টহলদল পাল্টা গুলি ছুঁড়লে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে সশস্ত্র ডাকাতদল পালিয়ে গেলে ওই স্থান থেকে বাঁশখালীর ডাকাত সোলতান বাহাদুরের লাশ পাওয়া যায়। ওখানে ২টি দেশীয় তৈরি এলজি ও ২৩ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়।
বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল উদ্দিন বলেন, নিহত ডাকাত বাহাদুরের বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় ২টি ডাকাত মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ বহু মামলা রয়েছে। বাহাদুরের লাশ প্রাথমিক সুরতহাল তদন্ত শেষে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে ফেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে হত্যার অভিযোগ
র্যাব-৭ এর মিডিয়া অফিসার মো. মাশকুর রহমান বলেন, ‘র্যাব-৭ এর টহল দলের সঙ্গে ডাকাত বাহাদুর গ্রুপের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাহাদুর নিহত হয়েছে। এ ব্যাপারে র্যাবের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করা হবে বাঁশখালী থানায়।
ইত্তেফাক/কেকে