দুই পুলিশকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়েছে আসামি

আপডেট : ২৭ জুন ২০২৬, ১৬:৪০

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামির দায়ের কোপে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে রেফার্ড করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ। এদের মধ্যে এসআই রুহুল আমিনকে রংপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার গেন্দুকুড়ি গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ওরফে ‘রাশেদ চোরের’ বিরুদ্ধে চুরিসহ নানা অপরাধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাশেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করতে তার বাড়িতে অভিযান চালান এসআই রুহুল আমিন ও এএসআই আব্দুল লতিফ।

এ সময় রাশেদুল গ্রেপ্তার এড়াতে দুই পুলিশ অফিসারকে লক্ষ্য করে দেশি ধারালো দা দিয়ে বেশ কয়েকটি এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে তাদেরকে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যান। এতে এসআই রুহুল আমীনের হাতের কবজিসহ শরীরের একাধিক স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়। একইভাবে আঘাত পান এএসআই আব্দুল লতিফও।

খবর পেয়ে থানার অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসআই রুহুল আমিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শঙ্কামুক্ত না হওয়ায় অস্ত্রোপচার করতে সেখান থেকে শনিবার সকালে তাকে বেসরকারি হাসপাতাল রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডক্টরস ক্লিনিক) ভর্তি করা হয়।

লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে আসামির হামলায় দু'জন পুলিশ আহত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রুহুলকে রংপুর ডক্টরস ক্লিনিকে নেওয়া হয়েছে অপারেশন করতে। তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ইত্তেফাক/এপি