প্রজন্ম সংবাদ
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০১৩, ১৯:৫২
অ্যাশলে বার্ট
ড্র্যাগ রেসিং বিষয়ে পড়াশোনা, ব্যাপারটা কেমন অদ্ভুত শোনাতে পারে। কিন্তু সত্যিই এমনটা ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত। তেমনই একটি স্কুলের ছাত্রী অ্যাসলে বার্ট। মাত্র ১৬ বছর বয়সে সে ড্র্যাগ রেসিং বিষয়ে পারদর্শিতা অর্জন করে। এই স্কুলে সর্বপ্রথম তাকে শেখানো হয় কীভাবে টায়ার পোড়াতে হয়। এ বিষয়ে নিজেকে একজন এক্সপার্ট প্রমাণ করার পরই পরের কৌশল শিখতে দেওয়া হয়, তার আগে না। মাত্র কয়েক মাসের প্রচেষ্টাতেই অ্যাসলে এই পুরো ব্যাপারটিতে দক্ষতা নিয়ে এসেছেন তিনি। সেই সাথে রেসিং জগতে সকলের কাছে ‘ড্র্যাগরেসিং রানি’ হিসেবে অতি পরিচিত হয়ে ওঠেন। তিনি ট্যালেন্টেড, ফিট ও নির্ভীক। সেই সাথে অদম্য গতি ও দক্ষতা নিয়ে দুর্জয়—তার সাথে যারা রেস করে এসেছেন, তাদের সকলেরই এই মতামত অ্যাসলে সম্পর্কে। একবাক্যে সবাই বলে, ‘সি ইজ সামথিং।’ রেসিং জগতের সাথে অ্যাসলের পরিচিতিটা পারিবারিকভাবেই। তিন প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এ ব্যাপারটি। অ্যাসলে তার ৮ বছর বয়স থেকে রেসিং শুরু করেন। একবার স্কুলে ‘কিটি ক্যাট’ নামের এক রেসিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় ছোট শিশুদের জন্য। কিন্তু একটি ছেলে রেস করতে ভয় পেয়ে যাওয়াতে অ্যাসলের বাবার কাছে অনুরোধ আসে অ্যাসলেকে দিয়ে সেই রেসটিতে অংশ নেওয়ার জন্য। সেখান থেকেই মূলত এ জগতের সাথে পরিচয় অ্যাসলের।
অল্পবয়সী মডেল ডেনিস কেলার
ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডিংয়ের জনপ্রিয় মুখ, ডেনিস কেলার। মাস্টার কার্ড, এমটিভি এশিয়া ভিজে এবং বিভিন্ন স্বল্পদৈর্ঘ্যের প্রোগামের হোস্ট এই এশিয়ান ডেনিস। তিনি এশিয়ান এন্টারটেইনমেন্টের দুনিয়ার একজন মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন মাত্র ২৮ বছর বয়সেই। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চে সিঙ্গাপুরে তার জন্ম। তার বাবা জার্মান এবং তার মা চীনা। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা জার্মানিতেই। শৈশবও কাটে সেখানেই। এরপর তারা সপরিবারে সিঙ্গাপুরে চলে আসেন। সিঙ্গাপুরেরই একটা জার্মান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকেই তিনি মডেলিংয়ের সাথে জড়িয়ে পড়েন। তিনি হঠাত্ করেই মডেলিং করার অফার পান। এরপর একটা মডেলিং এজেন্সির সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। ক্যারিয়ারের বড় কিছু সাফল্যের মধ্যে একটি ছিল ফোর্ড কোম্পানির সুপার মডেল হওয়া। ২০০০ সালে তিনি এই গাড়ির ব্র্যান্ডের মডেলিং করে সুপার মডেলের টাইটেল অর্জন করেন। তার মডেলিং ক্যারিয়ারে তিনি বেশ কয়েকবার টিভি মডেল হিসেবেও খ্যাতি পেয়েছেন। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ছাড়াও প্রিন্টিং মিডিয়াতে তিনি ভালো নাম করেছেন। যেসব টিভি শোতে তিনি হোস্ট হিসেবে ছিলেন সেগুলোর মধ্যে ফোর্ড সুপারমডেল-২০০১ শো ছিল বেশি আলোচিত। ২০০২ সাল, তার মডেলিংয়ের খ্যাতি পৌঁছে যায় সুদূর আমেরিকা, হংকং এবং টোকিওর মতো জায়গায়। সে বছরই তিনি তার ক্যারিয়ারের অনেক বড় একটা ব্রেক পান। তিনি এমটিভি এশিয়ার ভিজে হওয়ার অফার পান। এর আগে অবশ্য শো-হোস্টিংয়ের জন্য দু’বার এমটিভি এশিয়া পুরস্কার পেয়েছেন। সেখানে পৃথিবীর কয়েকজন রক, পপ ও হিপ-হপ গায়ক-গায়িকাদের ইন্টারভিউ নেওয়ার সৌভাগ্য তার হয়েছিল। এরপর ২০০৫ সাল, ডেনিস একটা রিয়েলিটি প্রোগ্রামে অংশ নেন। সেটা সিঙ্গাপুরের একটা ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ রিয়েলিটি প্রোগ্রাম, ‘আই ফর অ্যা গাই টু’। এই প্রোগ্রামটি ছিল ডেনিসের জীবনের সাফল্যের আরও একটি অধ্যায়।