তারুণ্যের অন্যলোক
গ্রন্থনা :সাজেদুল ইসলাম শুভ্র
প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০১৩, ১৫:৪৬
প্রতিদিনের
তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্
প ড়া র ব ই
ব্রেকিং ট্রায়াল
লেখক :আরলিন ব্লাম
বইয়ের কথা :পর্বতারোহণ নিয়ে অনেক লেখা আছে, কিন্তু নারী পর্বতারোহীর বয়ানে অভিযানের গল্প কম। বইয়ের ভূমিকায়, চারজন তরুণীর আমেরিকার সর্বোচ্চ শিখর ডেনালি জয়ের শ্বাসরুদ্ধকর অভিজ্ঞতার মানানসই সংক্ষিপ্ত বর্ণনা রয়েছে। খুশি মনে পরের পাতায় চলে যাওয়া যায়। প্রতিটা নতুন অনুচ্ছেদের শুরুতে লেখিকার শিশুকালের নানা ঘটনার বর্ণনা রয়েছে, ক্ষুদে ক্ষুদে বাঁকানো হরফে।
কেন পড়বেন :আরলিনদের জন্য তো স্বপ্ন পূরণ খুব সহজ ছিল না। ওরা তখন থেমে থাকেনি, নিজের বুদ্ধি দিয়ে, কাজ দিয়ে প্রমাণ করেছে ওরা পারে। ওদের দেশের এত এত মেয়ে এখন সবকিছু মুক্তির আনন্দ নিয়ে করতে পারে, কারণ একসময় কিছু কিছু মেয়ে সেই পথটা তৈরি করেছে।
---
দে খা র ছ বি
আবহমান
পরিচালক :ঋতুপর্ণ ঘোষ
ছবির কথা :অনিকেত একজন উঁচুদরের ও নামকরা ফিল্মমেকার। এককালের এক অভিনেত্রী দীপ্তিকে নিজের ছবিতে নিতে গিয়ে প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন—যার পরিনাম বিয়ে। সেসময় সে ছবি আর তিনি শেষ করতে পারেননি। কালের প্রবাহে তার সংসারে ‘অপ্রতিম’-এর জন্ম হয়। তাদের সংসার বেশ সুখেই কাটছিল। ছবির গল্প মোড় নেয় যখন অনিকেতের পরবর্তী ছবির অডিশনের সময়। এরপর নানা দ্বন্দ্বের ভেতর দিয়ে এগিয়ে চলে গল্প।
কেন দেখবেন :‘আবহমান’ ছবিটি পরিচালনার জন্য এবার ভারতের সেরা পরিচালকের পুরস্কারটি ছিনিয়ে নেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। শুধু তাই নয়, ওই ছবিটি সেরা বাংলা ছবিরও পুরস্কার পায়।
---
শো না র গা ন
শুধু তোমাকে
শিল্পী :মিফতাহ জামান
প্রকাশক :অগ্নিবীণা
গানের কথা :গানগুলোর কিছু অসাধারণ লিরিক, মিফতাহ আর সারাহ’র ক্ল্যাসিকাল বেইজড গলায় সুন্দর গায়কী গানগুলোকে বেশ প্রিয় করে তুলেছে শ্রোতাদের কাছে। মিফতাহ জামান তিন বছর বয়স থেকে গান করলেও এটি তার প্রথম অ্যালবাম। অ্যালবামটির সংগীত আয়োজন করেছেন তিনি নিজে এবং সুর করেছেন ৯টি গানের। অ্যালবামের গানগুলো লিখেছেন তুষার হাসান, ইমতিয়াজ খান এবং ফয়সাল আহমেদ। প্রথম গানের কথাগুলো ইতোমধ্যেই জনপ্রিয় হয়েছে ভক্তদের কাছে।
কেন শুনবেন :নতুন ধারার এই সংগীত আয়োজন সবার ভালো লাগবে, তা ছাড়া গানের কথাগুলোও যেন জীবন ছুঁয়ে যায়।
---
ত থ্য ক ণি কা
পেনড্রাইভ আবিষ্কার যেভাবে
পেনড্রাইভ ডিভাইসটি সৃষ্টি করেন মালয়েশিয়ায় জন্মগ্রহণকারী পুয়া কেইন সেঙস। তিনি তাইওয়ানের চিয়ো টুয়াং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে তার স্নাতক সম্পন্ন করেন। এরপর ১৯৯৯ সালে তিনি একটি প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানকার কয়েকজন প্রকৌশলীকে নিয়েই পরবর্তীতে তিনি ‘ফিজন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করান। ২০০০ সালে ‘ফিজন ইলেকট্রনিক্স কর্পোরেশন’ নামে এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। আর এই প্রতিষ্ঠান শুরু থেকেই ইউএসবি টেকনোলজি নিয়ে কাজ করছে। মাত্র ছয় মাসের প্রচেষ্টায় এই প্রতিষ্ঠান তাদের প্রথম আবিষ্কার ইউএসবি স্টোরেজ ডিভাইস ‘পেনড্রাইভ’ বাজারে আনতে সফল হয়। ২০০১ সালের জুন মাসে অবশেষে এই ডিভাইসটি ‘ফিজন ইলেকট্রনিক্স কর্পোরেশন’ বিশ্ব বাজারে ছাড়তে সমর্থ হয়।