গতকাল বিএনপির গুলশান অফিস থেকে বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুরের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া হয়। রাত দশটা পর্যন্ত যারা চিঠি পেয়েছেন তারা হলেন:
বরগুনা-১ : মতিউর রহমান তালুকদার/ নজরুল ইসলাম মোল্লা, বরগুনা-২ : নুরুল ইসলাম মনি।
পটুয়াখালী :পটুয়াখালী- ১ : আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ : শহীদুল আলম তালুকদার/ সালমা আলম, পটুয়াখালি ১ এ সুরাইয়া আখতার চৌধুরী। পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন/ মো. শাহজাহান, পটুয়াখালী-৪ : এবিএম মোশাররফ হোসেন/ মনিরুজ্জামান মুনির। ভোলা : ভোলা-২ : হাফিজ ইব্রাহিম/ রফিকুল ইসলাম মনি, ভোলা-৩ : হাফিজউদ্দিন আহমেদ/কামাল হোসেন, ভোলা-৪ : নাজিমউদ্দিন আলম/ মো. নুরুল ইসলাম নয়ন।
বরিশাল : বরিশাল-১ : জহিরউদ্দিন স্বপন/ আবদুস সোবহান, বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল/সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু/শহিদুল হক জামাল, বরিশাল-৩ : জয়নুল আবেদীন/সেলিমা রহমান, বরিশাল-৪ : মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ/রাজীব আহসান, বরিশাল-৫: মজিবর রহমান সারোয়ার/ এমাদুল হক চাঁন, বরিশাল-৬ : আবুল হোসেন খান/ রশিদ খান। ঝালকাঠি :ঝালকাঠি-১ : শাহজাহান ওমর, ঝালকাঠি-২ : রফিকুল ইসলাম জামাল/ ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো/ জেবা খান।
পিরোজপুর : পিরোজপুর- ১ : ২০ দলের শরিকদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থী জাতীয়পার্টি (জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার। পিরোজপুর-২ শামীম সাঈদী (জামায়াত), পিরোজপুর-৩ : রুহুল আমিন দুলাল/শাহজাহান মিয়া। এই বিভাগের ভোলা ১ জোটের প্রার্থীদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
রংপুর :রংপুর- ১ : মোশাররফ হোসেন সুজন, রংপুর-২ : ওয়াহিদুজ্জামান মামুন,/মোজাফফর আলী, রংপুর-৩ : রিটা রহমান(পিপিবি), মোজাফফর আহমদ, রংপুর-৪ : এমদাদুল হক ভরসা, রংপুর-৫ : সোলায়মান আলম, ডা. মমতাজ, রংপুর-৬ : সাইফুল ইসলাম। কুড়িগ্রাম :কুড়িগ্রাম -১ : আবুল হাসনাত কায়কোবাদ, কুড়িগ্রাম-২: আবু বকর সিদ্দিক, কুড়িগ্রাম-৩: তাজভীরুল ইসলাম/ আবদুল খালেক, কুড়িগ্রাম- ৪: আজিজুর রহমান/ মোখলেছুর রহমান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ :চাঁপাইনবাবগঞ্জ- ১ : মো. শাহজাহান মিয়া,/ বেলাল বাকী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ু ২ : আনোয়ারুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ : আবদুল ওয়াহেদ/ হারুনুর রশীদ।
নওগাঁ :নওগাঁও-১ : সালেক চৌধুরী/ মোস্তাফিজুর রহমান/মাসুদ রানা, নওগাঁ-২ : শামসুজ্জামান খান/খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, নওগাঁও-৩ : রবিউল আলম বুলেট/পারভেজ আরেফীন সিদ্দিকী জনি, নওগাঁ-৪ : শামসুল আলম প্রামানিক/ একরামুল বারী টিটো, নওগাঁ-৫ : জাহিদুল ইসলাম/ নজমুল হক সনি, নওগাঁও ু ৬ :আলমগীর কবির/শেখ রেজাউল ইসলাম।
রাজশাহী :রাজশাহী- ১ : আমিনুল হক, রাজশাহী-২ : মিজানুর রহমান মিনু/ সাঈদ হাসান, রাজশাহী-৩ : মতিউর রহমান মন্টু/ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ : আবু হেনা,/ মো. আবদুল গফুর, রাজশাহী-৫ : নাদিম মোস্তফা,/ নজরুল মন্ডল, রাজশাহী-৬ : আবু সাঈদ চাঁন, /নুরুজ্জামান খান মানিক।
লালমনিরহাট :লালমরিহাট-৩ : আসাদুল হাবিব দুলু।
জামায়াতকে যেসব আসন ছাড় দিচ্ছে বিএনপি
আসন্ন ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৩৮ আসনে নির্বাচন করা জামায়াত ৩৩টিতে জোটের মনোনয়ন পেয়েছিল। পাঁচটি আসনে বিএনপি ও জামায়াত দুই দলেরই প্রার্থী ছিল। গতবারের ৩৩টির ২৭টিতে এবারও জোটের মনোনয়ন চায় জামায়াত। গতবারের উন্মুক্ত পাঁচটি আসনের তিনটিতে জামায়াত দ্বিতীয় হয়েছিল। বিএনপির অবস্থান ছিল তৃতীয়। এগুলোতেও এবার জোটের মনোনয়ন চায় জামায়াত।
ওই ৩০টি ছাড়াও জামায়াত নতুন করে রাজশাহী-১, বগুড়া-৪, ঢাকা-১৫, সাতক্ষীরা-১ ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মনোনয়ন চায়। জামায়াতকে ছাড় দেওয়া আসনগুলো হলো: ঠাকুরগাঁও-২ মাওলানা আবদুল হাকিম, দিনাজপুর-১ মাওলানা আবু হানিফ, দিনাজপুর-৬ আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-৩ মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন সাজু, রংপুর-৫ অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, কুড়িগ্রাম-৪ নুরুল আলম মুকুল, গাইবান্ধা-১ অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ ডা. আবদুর রহীম সরকার, বগুড়া-৪ মাও. তায়েব আলী, সিরাজগঞ্জ-৪ রফিকুল ইসলাম খান, পাবনা-১ আবদুল বাসেত, পাবনা-৫ ইকবাল হোসাইন, যশোর-২ আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদত হোসাইন, বাগেরহাট-৩ অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-৪ আবদুল আলীম; খুলনা-৫ মিয়া গোলাম পরওয়ার; খুলনা-৬ আবুল কালাম আযাদ, সাতক্ষীরা-২ মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ মুফতি রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-২ শামীম সাঈদী, সিলেট-৫ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট-৬ মাওলানা হাবিবুর রহমান, কুমিল্লা-১১ ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, চট্টগ্রাম-১৫ আ ন ম শামসুল ইসলাম, কক্সবাজার-২ হামিদুর রহমান আযাদ।
অন্য শরিকদের ছাড়
২০ দলীয় জোটের শরিকদের যেসব আসনে ছাড় দেয়া হয়েছে : এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (চট্টগ্রাম-১৪), মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ (কুমিল্লা-৭), শাহাদাত হোসেন সেলিম (লক্ষ্মীপুর-১), আবদুল করিম আব্বাসী (নেত্রকোনা-২) রয়েছেন। তবে দলটির পক্ষ থেকে আরও কিছু আসনের জন্য জোর প্রচেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শাহাদাত হোসেন সেলিম। এর মধ্যে এম ইয়াকুব আলী (চট্টগ্রাম-১২) ও অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ (ময়মনসিংহ-১০) অন্যতম। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ (ভোলা-১), কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিম (চট্টগ্রাম-৫), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান (পঞ্চগড়-২), মশিউর রহমান যাদু মিয়ার মেয়ে পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশের রিটা রহমান (নীলফামারী-১), জমিয়তে ওলামায়ের মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস (যশোর-৫), জমিয়তে ওলামায়ের শাহীনুর পাশা চৌধুরী (সুনামগঞ্জ-৩), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মণ্ডল (যশোর-৪)। সুকৃতি কুমার মণ্ডল বলেন, তাকে মৌখিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
আজ মনোনয়নের চিঠি পেলে নিশ্চিত করতে পারব। খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক আহমেদ আবদুল কাদের (হবিগঞ্জ-৪), এনপিপির সভাপতি ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (নড়াইল-২)। জাপা (জাফর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. টিআই ফজলে রাব্বী (গাইবান্ধা-৩), দলের মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার (পিরোজপুর-১)।