প্র জ ন্ম স ং বা দ

কম বয়সী সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকধারী সিইও এনভিডিয়া গ্রাফিক্সের সাথে আমরা সবাই পরিচিত। বিশেষ করে গেমস ও গ্রাফিক্স নিয়ে যাদের দুনিয়া তাদের কাছে এই গ্রাফিক্স কার্ড অনেক জনপ্রিয়। আমেরিকান গ্লোবাল টেকনোলজি বেজড কোম্পানি এনভিডিয়া। গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। এই বিখ্যাত কোম্পানিতে কাজ করছেন তরুণ প্রতিভা, জেন সান হুয়ান। এনভিডিয়া কর্পোরেশনের কো-ফাউন্ডার জেন সান হুয়ান বিশ্বের ২য় কম বয়সী সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকধারী সিইও (বার্ষিক ৪৫.৯ মিলিয়ন ইউএস ডলার)। ১৯৯৩ সালে তিনি গ্রাফিক্স চিপ মেকার হিসেবে এনভিডিয়াকে তুলে ধরেন। একাধারে তিনি প্রেসিডেন্ট, সিইও এবং এনভিডিয়া বোর্ডের একজন সদস্য হিসেবে শুরু থেকেই যুক্ত ছিলেন। তার পরিচালনায় এনভিডিয়া কোম্পানি প্রোগ্রামেবল গ্রাফিক্স প্রসেসিং টেকনোলজিতে বেশ সুনাম অর্জন করে। পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রিতে অন্যতম স্থান দখল করে। এনভিডিয়ার কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই তিনি এলএসআই লজিকের ইঞ্জিনিয়ারিং, মার্কেটিং, জেনারেল ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন দিক নিয়ে তদারকি করেন। তিনি অ্যাডভান্সড মাইক্রো ডিভাইস (এএমডি)-এর মাইক্রোপ্রসেসর ডিজাইনার হিসেবেও কাজ করেন। এ ছাড়া তিনি র্যান্ড কর্পোরেশন বোর্ড অব ট্রাস্টিদের মধ্যে একজন। তিনি ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে বিএসইই ও স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমএসইই ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। --- বারবারা লিঞ্চ ও তার রেস্টুরেন্ট রেস্টুরেন্ট নিয়ে ব্যবসা করবেন এমন কোনো ইচ্ছাই তার ছিল না। বরং অন্যভাবে বলা যায়, তিনি কখনই ভাবেননি তাকে রেস্টুরেন্টের ব্যবসায় নামতে হবে। কিন্তু বর্তমানে তিনি এই ব্যবসায় অন্যতম একজন, নিঃসন্দেহে তা বলে দেওয়া যায়। লিঞ্চের জন্ম ও বেড়ে ওঠা বোস্টন শহরের পূর্ব দিকের এক গ্রামে। তাকে আইরিশ বলা যায়। তার শৈশবের স্মৃতিগুলো অন্য সব সাধারণ মানুষদের থেকে আলাদা, কারণ তার প্রতিবেশীদের ভেতর বেশিরভাগই ছিল পলিটেশিয়ান ও মাফিয়া ডন। ক্যারিয়ারের শুরুটা তার অনেক ছোট বয়সেই। তিনি প্রথমবারের মতো কুকি অর্থাত্ বিস্কুট তৈরি করে মাত্র ১৩ বছর বয়সে। তখন তিনি চার্চের ফাদারের জন্য এ কাজ করতেন এবং সেখান থেকে কিছু আয়ও হতো। প্রায় ২ বছরের মতো তিনি চার্চের ফাদারের জন্য রান্না করেন। তার প্রিয় রান্নার আইটেম ছিল সসেজ ও অনিয়ন রেসিপি। উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল, ক্যাটারিং সার্ভিসে কাজ শুরু করেন। এর ২ বছর পর, ২০০৬ সালে এসে তিনি নিজের জন্য একটি দোকান নিতে পারেন। নাম দেন ‘কুকবুক স্টোর’। সেখানে খাবার পরিবেশনার পাশাপাশি রান্নার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।