অর্ধেকেরও বেশি স্প্যাম ম্যাসেজ পাঠাচ্ছে ২০টি আইএসপি!
প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০১৩, ১৯:২০
তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে ক্রমেই ইন্টারনেটের উপরে নির্ভর হয়ে পড়ছে মানুষ। বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ এখন ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত। আর ইন্টারনেটে যারা যুক্ত রয়েছেন, তাদের সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত সার্ভিসের মধ্যে অন্যতম ইমেইল। বিভিন্ন ধরনের ইমেইল সার্ভিস ব্যবহার করে থাকেন সকলেই। প্রাত্যহিক যোগাযোগের জন্য ইমেইলের কোনো বিকল্প নেই। কেবল ব্যক্তিগত যোগাযোগের জন্যই নয়, প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের জন্যও ইমেইলের উপরেই নির্ভর করে থাকে সকলেই। তবে ইমেইলের ক্ষেত্রে স্প্যামিংয়ের মুখোমুখি হননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত মুশকিল। প্রতিনিয়তই স্প্যাম ম্যাসেজের জ্বালায় অস্থির হয়ে থাকে অনেকেই। হাজার হাজার স্প্যাম ম্যাসেজের ভিড়ে অনেক সময় অনেক জরুরি ইমেইলও খুঁজে পাওয়া যায় না। অবাক করার মতো তথ্য হচ্ছে, গোটা বিশ্বে প্রতিনিয়ত যে লক্ষ লক্ষ স্প্যাম ম্যাসেজ আদান-প্রদান হচ্ছে, তার অর্ধেকেরও বেশি স্প্যাম ম্যাসেজ এবং ফিশিং মেইল পাঠানো হয়ে থাকে মাত্র ২০টি আইএসপি থেকে! হ্যাঁ, এমন তথ্যই জানিয়েছে হল্যান্ডের গবেষক গিয়োভেন সিজার মোরেইরা মোউরা। ৪২ হাজারেরও বেশি আইএসপি’র উপর গবেষণা চালিয়ে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন। স্প্যাম এবং ফিশিং মেইল পাঠানো আইএসপিগুলোর অবস্থান আবার বেশিরভাগই ভারত, ভিয়েতনাম এবং ব্রাজিলে। তবে সবচেয়ে বেশি স্প্যাম করা আইএসপির অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রে। আর স্প্যামের শিকারের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ে টার্গেট করা হয়ে থাকে এশিয়ার নেটওয়ার্কগুলোকে। মোউরা জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই একটি আইএসপি একই ধরনের স্প্যাম ম্যাসেজ এবং অনেক সময়ে ম্যালওয়্যারও পাঠিয়ে থাকে। স্প্যাম করার ক্ষেত্রে শীর্ষ আইএসপি হিসেবে এই গবেষণায় উঠে এসেছে ভারতের বিএসএনএল-এর নাম। মোউরা জানিয়েছেন, স্প্যাম ম্যাসেজ বা ফিশিংয়ের উত্স সম্পর্কে অবগত হওয়া সম্ভব হলে নিরাপত্তা বিষয়ক টুলস সহজে তৈরি করা সম্ভব। এক গবেষণাপত্রে তিনি বলেন, ‘অনলাইন আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা যদি কার্যকরী টুলস তৈরি করতে চান, এগুলোর উত্স নেটওয়ার্কের তথ্য তাদের সহায়তা করবে।’ মোজাহেদুল ইসলাম