ভবিষ্যত্

সেরা প্রফেশনালদের কাতারে আসতে

শিক্ষার্থীদের কাছে এখন এমন সব ডিগ্রির গুরুত্ব বেশি যেখানে চাকরির নিশ্চয়তা রয়েছে। এ পর্যায়ে চাকরির বাজারে চাহিদার তালিকায় এসেছে এফআইএ, সিএটি, এসিসিএ। এসএসসি ও এইচএসসি পাস শিক্ষার্থীরা এসব বিষয়ে ডিগ্রি নিয়ে সহজেই উচ্চ আয়ের ক্যারিয়ার গড়তে পারে। এসব পেশায় যোগ্যপ্রার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বেই অনেক কম এবং চাহিদার তুলনায় দেশে এসব বিষয়ের শিক্ষার্থীদের অপ্রতুলতার কারণে শিক্ষাজীবন সমাপ্ত হওয়ার পূর্বেই তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক চাকরির আমন্ত্রণ পায়। বাংলাদেশে ২০০১ সালে কোর্সটি শুরু হলেও এই পেশা ইংল্যান্ডে শুরু হয়েছিল ১৯০৪ সালে। সে সময় থেকে বর্তমানে এর ১৫৪০০০ মেম্বার ৪৩২০০০ শিক্ষার্থী বিশ্বজুড়ে ৮৩টি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে শিক্ষা গ্রহণ করে আসছে। আর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এই প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মালেয়শিয়া, সিঙ্গাপুর, চায়না, ইন্ডিয়া পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের প্রায় দেশেই এসিসিএ-দের চাকরির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আরও তথ্য জানতে যোগাযোগ করতে পারেন ৮১৪১৬০১, ০১৭৩৩০২৭৫২১ এই নম্বরে। এইচএসসির পর সরাসরি এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। আবার এসএসসি শেষ করে এফআইএ করেও এই কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এফআইএ শেষ করে সিএটি সম্পন্ন করে এসিসিএ কোর্স সম্পন্ন করা যায়। এসএসসি পাস শিক্ষার্থীরা এফআইএ সম্পন্ন করতে হবে সাতটি বিষয়। আর এফআইএ শেষে সিএটি করতে আরও দুটি সাবজেক্ট সম্পন্ন করতে হবে। ফাউন্ডেশন ইন অ্যাকাউন্টেন্সি হচ্ছে এসিসিএ’র ফাউন্ডেশন কোর্স। এসিসিএর প্রথম তিনটি পেপার (এফ১-এফ৩) কম্পিউটার বেজড এক্সাম বছরের যেকোনো সময় দেওয়া যায় এবং রেজিস্ট্রেশন করা যায় যেকোনো সময়। ফাউন্ডেশন ইন অ্যাকাউন্টেন্সি, সিএটি কোর্স শেষ করতে সাধারণত সময় লাগে এক থেকে দেড় বছর। এসিসিএ করতে সময় লাগে সাধারণত দুই-তিন বছর। এর পরীক্ষা পদ্ধতি যথেষ্ট সহজ। বিশ্বের সব জায়গায় এটি পড়া যায় এবং সবদেশে পরীক্ষা দেওয়া যায়। অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটির সাথে এসিসিএ’র চুক্তি থাকায় সেখান থেকে বিএসসি অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং এবং এমবিএ ডিগ্রি পাওযা যায়। ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদা করে এই বিষয়ে অনার্স এবং এমবিএ পড়তে হয় না। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বিবিএ-এমবিএ করতে ৫/১২ লাখ টাকা লেগে যায়। সেখানে যথেষ্ট কম খরচে সিএটি, এসিসিএ, এফআইএ সম্পন্ন করা যায়। এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :বাড়ি- ৫১, রোড ১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা। প্রতিদিন এখানে ১০০ জন শিক্ষার্থীর অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সামর্থ্য থাকার কারণে এই প্রতিষ্ঠানকে কম্পিইটার বেজড পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এখানে অনলাইনে পরীক্ষা দিতে পারছে।