তারুণ্যের অন্যলোক

প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ প ড়া র ব ই ইস্টিশন লেখক :মুহম্মদ জাফর ইকবাল প্রকাশক : তাম্রলিপি প্রকাশনী বইয়ের কথা :বইটি রেলস্টেশনে বসবাসরত কিছু শিশুদের বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি। আমাদের ব্যস্ত জীবনে বারবার তাদের সম্মুখীন হয়েও কোনো এক অজানা দাম্ভিকতা কিংবা যান্ত্রিক ব্যস্ততায় আমরা তাদের দেখেও দেখি না। সেই অজানা দাম্ভিকতা আর যান্ত্রিক ব্যস্ততার লাগাম টেনে ধরে ‘ইস্টিশন’ বইটি। কেন পড়বেন :সবশেষের অ্যাডভেঞ্চাচারটা বরাবরের মতোই উপভোগ্য। ‘ইস্টিশন’ বইটি মুহম্মদ জাফর ইকবালের মনোমুগ্ধকর সৃষ্টি। তিনি আবারও প্রমাণ করলেন যে তিনি ছোটদের মন অনেক ভালো বোঝেন, অন্য যে কারও চেয়ে বেশি। দে খা র ছ বি ল্য আভ্র পরিচালক :আকি কাউরিসম্যাকি ছবির কথা :একটিবার চার্লি চ্যাপলিনদের যুগে ফিরে যাওয়া যাক। সেটা নিঃসন্দেহে নির্বাক কমেডির স্বর্ণযুগ। মুখের কথা ছাড়া কেবল অঙ্গভঙ্গি আর চলচ্ছবির মাধ্যমে যখন চলচ্চিত্রকাররা সমাজকে বিদ্রূপ করতেন আর মানুষের অন্তরকে ভালোবাসতেন। ‘ল্য আভ্র’ আসলে ফ্রান্সের উত্তর উপকূলের একটি ছোট বন্দর ও শিল্প নগরীর নাম, যেখান থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েই পৌঁছে যাওয়া যায় লন্ডন। কেন দেখবেন :২০১১-র অন্যতম সেরা এই সিনেমা যেকোনো দর্শকের জন্যই একটি পুরস্কার। কান চলচ্চিত্র উত্সবে প্রাইজ পাওয়া এই সিনেমাটি না দেখে থাকলে দেখে নিন আজই। গু ণী জ ন মহাত্মা গান্ধী তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রগামী ব্যক্তিদের একজন এবং প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। এর মাধ্যমে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনসাধারণের অবাধ্যতা ঘোষিত হয়েছিল। এ আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অহিংস মতবাদ বা দর্শনের উপর এবং এটি ছিল ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম চালিকা শক্তি, সারা বিশ্বে মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকার পাওয়ার আন্দোলনের অন্যতম অনুপ্রেরণা। গান্ধী ভারতে এবং বিশ্ব জুড়ে মহাত্মা (মহান আত্মা) এবং বাপু (বাবা) নামে পরিচিত। ভারত সরকারিভাবে তার সম্মানার্থে তাকে ভারতের জাতির জনক হিসেবে ঘোষণা করেছে। ২ অক্টোবর তার জন্মদিন ভারতে গান্ধী জয়ন্তী হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। ত থ্য ক ণি কা অধিবর্ষ কীভাবে চার বছর পরে বাদ যাওয়া সময়টুকু প্রায় ২৪ ঘণ্টায় পরিণত হয় আর সেই ২৪ ঘণ্টাকে সমন্বয় করার জন্যই লিপইয়ারের আবিষ্কার। জুলিয়াস সিজার তত্কালীন পঞ্চম মাস কুইন্টালিসকে নিজের নামানুসারে জুলিয়াস নাম দেন, সেইটাই আজকের সপ্তম মাস জুলাই। অর্থাত্ জুলিয়াস সিজার তখনকার প্রচলিত মাসের ক্রম পরিবর্তন করে তত্কালীন একাদশ মাস জানুয়ারিয়াস থেকে বছর গণনা শুরু করেন। পরবর্তী রোমান সম্রাট অগাস্টাস পূর্ববর্তী ষষ্ঠ মাস সেক্সটিলিসের নাম পাল্টে রাখেন আগস্ট। দুই রোমান সম্রাটই নিজেদের নামের মাস দুটিকে ৩১ দিন করে বরাদ্দ দেন। দুঃখজনকভাবে এই দুটি দিনই দুই সম্রাট কেটে নেন বেচারা ফেব্রুয়ারির কোঠা থেকে, ফলে ফেব্রুয়ারির ৩০ দিনের দৌড় গিয়ে থেমে যায় ২৮ দিনে। এই জন্যই বেচারা ফেব্রুয়ারির প্রতি দয়া দেখিয়ে লিপইয়ারের অতিরিক্ত ১টি দিন গিয়ে তার ভাগ্যে জোটে। তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত প্রকাশে সাহায্য নিতে পারেন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের। তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে লগ ইন করুন www.face book.com/torun.kontho