মহানগর স্কুল হকিতে বহিরাগত খেলোয়াড়
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৪
স্পোর্টস রিপোর্টার
নিয়ম হচ্ছে মহানগর স্কুল হকি টুর্নামেন্টে কেবল স্কুল পড়ুয়ারাই খেলবে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে এবারও এই টুর্নামেন্টে বহিরাগতরা খেলেছেন। খোদ চ্যাম্পিয়ন দল জিনজিরার পিএম পাইলট স্কুলেই রয়েছে এ ধরনের খেলোয়াড়। ফতুল্লার পাইলট স্কুলটি ফাইনালে হেরে আঙ্গুল তুললেন চ্যাম্পিয়ন দলের দিকে। চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক রবিউল হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ সে এই স্কুলের ছাত্র না। অন্যদের দেখে অনুমান করা যায় স্কুল ছাত্র। ওই সব ছাত্রদের পাশে রবিউলকে স্কুল পড়ুয়া মনে হয়নি। তার কাছে জানতে চাইলে সে জিনজিরা পিএম পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নাম বলতে পারেননি। যে সব স্কুল সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি তাদের অভিযোগ হকি ফেডারেশনের কর্মকর্তারা কলেজের ছাত্র খেলানোর বিষয়টি দেখে দেখছেন না।
শুধু রবিউলই নয়, স্কুল হকির বিভিন্ন দলে অছাত্র খেলেছেন। হকি ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লা দাবি করেছেন, ‘বেশি বয়সের খেলেনি। যেসব বেশি বয়সের খেলোয়াড় বাদ পড়েছিল আমরা তাদের সুযোগ দেইনি। আমার নারায়ণগঞ্জের ছেলেরা বাদ পড়ে এসেছিল। আমি ফিরিয়ে দিয়েছি।’
ফেডারেশনের আরেক সদস্য নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, প্রথম বিভাগ লিগের খেলোয়াড় স্কুল হকিতে খেলেছেন। তিনি বলেন, ‘উত্তরা হকি ক্লাব, বর্ণক সমাজের অনেকেই স্কুল হকিতে খেললেন।’ ফেডারেশনের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘বাছাই কমিটি থেকে বেশি বয়সের খেলোয়াড় এবং অছাত্রকে বাদ দেয়া হলেও ডেভেলপম্যান্ট কমিটি ছেড়ে দিয়েছে রবিউল, অর্ণব, রাশেদকে।’
অছাত্রদের খেলানোর কারণে ফাইনাল খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন দলের স্কুলের আলমগির ইসলামকে কঠোর ভাষায় সতর্ক করে দেন হকি ফেডারেশনের কর্মকর্তা।