দেশ বাঁচাতে চাই ’৭২-এর সংবিধানের পূর্ণ বাস্তবায়ন
প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০১৩, ২১:৩৭
কেবলমাত্র একটি মানচিত্র বা পতাকার জন্য মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়নি। একাত্তরের যুদ্ধের মূর্ত বিষয়ই ছিল অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ। বিভিন্ন সময়ে প্রতিক্রিয়াশীল শাসকগোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে সেই চেতনাকে নস্যাত্ করতে চেয়েছে। স্বাধীনতার পর সংবিধানের অব্যাহত কাটা ছেঁড়ার মাধ্যমে শাসকেরা দেশদ্রোহী ধর্মান্ধগোষ্ঠী ও লুটেরা ধনিকশ্রেণি সৃষ্টি করেছে। দেশকে বাঁচাতে এই মুহূর্তে ‘৭২ এর সংবিধানের চার মূলনীতির পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন প্রয়োজন। পল্টনের মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে রবিবার বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ যৌথ আয়োজনে স্বাধীনতার ৪২ বছর পূর্তিতে এক আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।
‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে করণীয়’ শীর্ষক এ আলোচনার শুরুতে সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য হায়দার আকবর খান রনো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪২ বছরেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পূর্ণ বাস্তবায়ন ঘটেনি।
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি কামাল লোহানী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনর্জাগরণে, সাম্প্রদায়িক শক্তি আজ ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে নাশকতার পথ বেছে নিয়েছে।
বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, বামপন্থীরাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রকৃত রক্ষক।