একটি ডিজিটাল ক্যাম্পাস
প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০১৩, ১৫:৫৪
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কিভাবে এগিয়ে যেতে হয় তার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ ও এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান লায়ন এম. কে. বাশার পিএমজেএফ। তিনি উদ্যোগ নিলেন ক্যামব্রিয়ানকে ডিজিটাল ক্যাম্পাসে রুপ দেয়ার বিষয়ে এবং সর্বোচ্চ দুই বছরের ব্যবধানে তিনি তা করেও দেখালেন! নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার কাজটি প্রাথমিক স্তর থেকেই শুরু করাসহ ক্যামব্রিয়ানকে অত্যাধুনিক যুগোপযোগী এবং একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাতির শিখরে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ২০১১ সালে একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থীদের দেয়া হল একটি করে ল্যাপটপ। এরপর ২০১২ সাল থেকে ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রমান্বয়ে দেয়া শুরু হল e pad যা এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং প্রস্তুতি চলছে ২০১৩ সালের মধ্যে ক্যামব্রিয়ানের সকল শিক্ষার্থীদের হাতে একটি করে e pad/laptop পৌছে দেয়ার।
ডিজিটাল ক্যামব্রিয়ানের নব্য এ জগতে শিক্ষার্থীরা যাতে সাবলিল ভাবে বিচরণ করতে পারে, অর্থাত্ তারা যাতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে, সেজন্য বিস্তর গবেষণা করা হয়েছে বিষয়টিতে। এ জন্য প্রথমেই তৈরি করা হয়েছে ডিজিটাল ক্যামব্রিয়ান’ নামক একটি সাবলিল সফটওয়্যার। ফলশ্রুতিতে অনেক যাচাই-বাছাইয়ের পর শিক্ষার্থীর হাতে যে ই’ প্যাড/ল্যাপটপ যাচ্ছে, তাতে থাকছে, সত্যিকারের আনন্দময় শিক্ষার এক পরিপূর্ণ পৃথিবী। যেমন, সব বইয়ে রয়েছে সতন্ত্র ইনডেক্স, যেখানে ক্লিক করে এক সেকেন্ডেই একজন শিক্ষার্থী চলে যেতে পারবে যে কোন বিষয়ের যে কোন চ্যাপ্টারে। বইয়ের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া আছে মজার মজার সব ভিডিও ক্লিপস। শিক্ষাকে আনন্দময় করার জন্যই এ উদ্যোগ। শিক্ষার্থীরা যে পৃষ্ঠায় যেতে চায় শুধু সেই পৃষ্ঠা নাম্বার লিখে দিলেই হল। মুহুর্তেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে সেই পৃষ্ঠাটি। শিক্ষার্থীরা জুম করে একটি পৃষ্ঠার যে কোন অংশ বড় করে পড়তে পারবে তার চাহিদামত। ল্যাপটপটি প্রস্তুত করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সুবিধার কথা মাথায় রেখে। ব্যবহার করা হয়েছে সর্বাধুনিক স্ক্রিন। ১২.১`` পরিমাপের এ LED স্ক্রিনটি শিক্ষার্থীদের চোখের ক্ষতি করবে না। এতে রয়েছে ৭-৮ ঘন্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়ার। ইন্টারনেটে রয়েছে পুরো পৃথিবী। সেই পৃথিবীর সক্রিয় সদস্য এখন ক্যামব্রিয়ানের প্রতিটি শিক্ষার্থী। এ লক্ষ্যে ক্যামব্রিয়ানের ৫টি ক্যাম্পাস এখন সম্পূর্ণ wi-fy জোন ভূক্ত, যা শিক্ষার্থীদের জন্য বয়ে আনবে অজানাকে জানার এক সুবিশাল দ্বার। পর্যায়ক্রমে সব ক্যাম্পাসকেই wi-fy জোন ভূক্ত করা হবে। তবে শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিকর কোন ইন্টারনেট সাইটএ ঢুকতে না পারে, তার জন্য রয়েছে যথাযথ ব্যবস্থা। প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য প্লট-২, গুলশান সার্কেল-২, ঢাকা। ফোন: ৯৮৮১৩৫৫, ০১৭২০৫৫৭১৮০/১৯০। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে আলোকিত মানুষ তৈরির এই প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ছয় শতাধিক অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী। আর এরাই হচ্ছেন ক্যামব্রিয়ানের গর্বিত ফলাফল অর্জনের নেপথ্য কারিগর। লায়ন এম.কে বাশার এই প্রতিবেদককে জানান, ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিকৃত মেধাবী ও গরীব শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া বিগত বছরের চেয়ে এবার আনুষাঙ্গিক অনেক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে।