শরণখোলায় আশ্রয়কেন্দ্রে ফণীর ৩দিন পরে শুকনো খাবার বিতরণ

শরণখোলায় ঘূর্ণিঝড় ফণীর রাতে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দকৃত শুকনো খাবার তিনদিন পরে সোমবার বিতরণ করা হয়েছে। অপরদিকে শেল্টারে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা প্রশাসনের হিসেবের সঙ্গে বাস্তবে গড়মিল রয়েছে বলে জনপ্রতিনিধিদের তথ্যে জানা গেছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ঘূর্ণিঝড় ফণীর রাতে উপজেলার ৮৫টি সাইক্লোন শেল্টারে ৪৫ হাজার ২শ ৫০ জন আশ্রয় নিয়েছিলো। অথচ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, প্রশাসনের হিসেবের সঙ্গে বাস্তবে বিস্তর ফারাক রয়েছে। 

সাউদখালী ইউনিয়নের বগী ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বার রিয়াদুল পঞ্চায়েত জানান, তার ওয়ার্ডের ৩টি শেল্টারে ৮৫৪ জন লোক আশ্রয় নিয়েছিলো, সাউদখালী ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জাকির হোসেন জানান, তার ওয়ার্ডের ৪টি শেল্টারে ১৩০০ জন ছিলো। 

এ ভাবে অন্য এলাকা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রশাসনের হিসেবের সঙ্গে গড়মিল লক্ষ্য করা গেছে। ঝড়ের রাতে প্রশাসনের তরফ থেকে কয়েকটি শেল্টারে সামান্য পরিমাণে শুকনো খাবার, চিড়া, গুড় বিতরণ করা হয়েছিলো।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, সরকারের কাছ থেকে পাওয়া ১৩শ প্যাকেট শুকনো খাবার সোমবার সাউদখালী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়। যার সঙ্গে চাল, ডাল, লবণ ও বিস্কুট আছে বলে জানা যায়। ঝড়ের রাতে উপজেলার সাইক্লোন শেল্টার গুলোতে ৪৫ হাজার ২ শ ৫০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাহিনী প্রধানসহ ৩ বনদস্যু নিহত

বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (জেনারেল) মোঃ জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, ‘দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জন্য ঢাকা থেকে সরকারী বরাদ্দের শুকনো খাবার আমরা দেরিতে রবিবার পেয়েছি। শরণখোলায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ইতিমধ্যে ৩০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আরও বরাদ্দ আসছে। সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা প্রশাসনের হিসেবে কমবেশী হতে পারে।’

ইত্তেফাক/নূহু