বিঘা প্রতি লোকসান ১ হাজার টাকা

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে হওয়া বৃষ্টিতে মাঠের পাকা ধান পানি বন্দি হয়ে পড়েছে, ধান পানিতে নেতিয়ে পড়েছে পানিতে। আর এর মধ্যে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে ধান কাটা শ্রমিকের সংকট। এদিকে ধানের দাম কম, অন্যদিকে যদিও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে তবুও মজুরি বেশি। সব মিলিয়ে দিশেহারা কৃষক।

গোল্লাপাড়া গ্রামের জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক নূর মোহাম্মদ বলেন, বিঘা প্রতি ধান পেয়েছি ২০ মণ। বাজার দর ৫৫০ টাকা। সে হিসেবে ধানের দাম হয় ১১ হাজার টাকা। অথচ বিঘা প্রতি চাষাবাদ করতে খরচ হয়েছে ১২ হাজার টাকা। এখন বিঘা প্রতি লোকসান গুণতে হচ্ছে এক হাজার টাকা। শুধু তাই নয় ধান কাটা শ্রমিক সংকটের কারণে ক্ষেতের পাকা ধান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি। দুইবেলা খাবার ও পাঁচশ টাকা মজুরি দিয়েও ধান কাটার শ্রমিক মিলছে না।

কৃষক ওহাব সরদার বলেন, কৃষি বিভাগের সতর্কবার্তা পাওয়ায় আট বিঘা জমির ধান কাটা হয়েছে। কিন্তু এখনো ১৪ বিঘা জমিতে পাকা ধান রয়েছে। বৃষ্টি ও শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটা যাচ্ছেনা।

আরও পড়ুন: ডাকাতিতে বাধা, গুলিতে নিহত ১

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, ফণীর প্রভাব তেমন লক্ষ্য করা যায়নি। তবে শ্রমিক সংকট ও শ্রমিকের মজুরি বেশি হওয়ায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।  

ইত্তেফাক/অনি