সংকট উত্তরণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ঐক্য জরুরি

দেশে চলমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তির ঐক্য জরুরি। কারণ শাহবাগে যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াতবিরোধী গণজাগরণ নিয়ে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট হয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনে অনলাইন নিউজ পোর্টাল পিটিবি নিউজ ২৪.কম আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন আয়োজক সংস্থার প্রধান সম্পাদক আশীষ কুমার দে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিসহ সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে শাহবাগের আন্দোলন জাতির জন্য একটি বড় অর্জন উল্লেখ করে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ বলেন, এই আন্দোলন ইতিহাস হয়ে থাকবে। গণঐক্য’র আহবায়ক পংকজ ভট্টাচার্য শাহবাগের আন্দোলনকে ‘যুব বিদ্রোহ’ আখ্যায়িত করে বলেন, ইতিহাসের প্রয়োজনেই যুব বিদ্রোহের মাধ্যমে জাতীয় জাগরণ ঘটেছে। এটা সরকার কেনো, কেউই রুখতে পারবে না। ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি সকল বাম ও প্রগতিশীল শক্তিকে একত্রিত করতে হবে। জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরিফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, এখন বড় সংকট হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ও সংবিধানের বিরুদ্ধে ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলোর আক্রমণ। এই সংকট থেকে উত্তরণে ও দেশের অস্তিত্ব রক্ষায় জনগণের ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচী বলেন, শাহবাগের গণজাগরণ প্রমাণ করেছে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিই বড়। কিন্তু রাজনীতিবিদরা জনগণের ভোট চান, অথচ তাদের মনের কথা শুনতে চান না। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- দৈনিক ইত্তেফাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আশিস সৈকত, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, সাবেক রাকসু ভিপি রাগিব আহসান মুন্না, অভিনেত্রী সুমনা ইসলাম সোমা, ডিইউজের সোহেল হায়দার চৌধুরী, যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতা সেকেন্দার হায়াত, বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট অশোক কুমার সাহা, সিটিজেনস রাইটস মুভমেন্টের মহাসচিব তুসার রেহমান প্রমুখ। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি