স্বা ধী ন তা কা প ফু ট ব ল
নাটকীয় ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন শেখ রাসেল
প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০১৩, ২২:০২
শুরুতে বৃষ্টির বাঁধা, ম্যাচ জুড়ে মেঘের চোখ রাঙ্গানি। তারপরও দর্শকদের উত্তেজনায় ভাটা পড়েনি। সেই উত্তেজনার সাক্ষ্য দিল যেন স্বাধীনতা কাপের ফাইনালও। নির্ধারিত নব্বই মিনিট ২-২ গোলে অমীমাংসিত থাকার পর শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে শিরোপার মীমাংসা হল। অতিরিক্ত সময়ের ১৭ মিনিটে এমিলির গোলে স্বাধীনতা কাপ জয় নিশ্চিত করল শেখ রাসেল।
খেলা শুরুর আগে প্রথম বাগড়াটা দিয়েছিল বৃষ্টি। খেলা শুরুর ঠিক আগে এক পশলা বৃষ্টি এসে মাঠটা ভিজিয়ে দিয়ে গেল।
শেখ রাসেলের শক্তিশালী আক্রমণ ভাগের জাহিদ, সনি, এমিলি, মিঠুনকে ঠেকাতে জামাল পাঁচ ডিফেন্ডার নিয়ে নেমেছিল। এদের মধ্যে হাইতির সনির উপর কড়া নজর ছিল। তারপরও সব ফাঁকা গলে বল নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন সনি। ম্যাচের ৪৫ ও ৫৩ মিনিটে দুই বার শেখ রাসেলের সনি ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে ফাঁকা পোষ্ট পেয়েও গোল করতে পারেননি।
প্রথমবার নাসির হেড করে নিশ্চিত গোল রক্ষা করেন। দ্বিতীয়বার সনি ফাঁকা পোষ্ট পেয়ে নিজেই বাইরে মারেন। সুযোগ তৈরি করে নিজেই নষ্ট করেন। বিরতির পর এক মিনিট ২২ সেকেন্ডের মাথায় গোল পায় শেখ রাসেল। জাহিদের লম্বা পাস থেকে এমিলি, মাটিতে লুটিয়ে পড়া গোলকিপার শাকিলকে কাটিয়ে এমিলি পেছনে মিঠুনকে বল ঠেলে দিলে তিনি লম্বা শটে গোল করেন।
সাত মিনিট পরই পেনাল্টিতে গোল হজম করে শেখ রাসেল। ঘানাইয়ান ডিফেন্ডার আব্বাস ইউনিসার হাতে লাগে বল। পেনাল্টিতে গোল করে সমতা আনেন সানডে। ৭৫ মিনিটে আবার সেই আব্বাস ইউনিসার কারণে গোল হজম করে আত্মঘাতি গোলে শেখ জামাল এগিয়ে যায়। ৭৮ মিনিটে সনির গোলে সমতা আনে শেখ রাসেল ২-২।
আর অতিরিক্ত খেলার ১৭ মিনিটে এসে বাংলাদেশের ফুটবলের অন্যতম তারকা এমিলি আরেকবার দলকে শিরোপার কাছে নিয়ে যান।
শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ঃ
বিপ্লব, লিংকন, নাহিদুল ইসলাম (মামুন মিয়া), আব্বাস ইউনিসা (ঘানা), বোজান পেত্রিক (বসনিয়া), জাহিদ হোসেন, মামুনুল ইসলাম, সনি নরদে (হাইতি), তারিক আল জনাবী (মরক্কো), মিঠুন চৌধুরী, এমিলি।
রেফারি ঃ আব্দুল হান্নান মিরন।
শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ঃ
শাকিল, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, আরিফুল ইসলাম, হাসান আল মামুন, অরূপ বৈদ্য (সোহেল রানা), ইয়ামিন আহমেদ, আলমগীর রানা, ইকিকুওয়া ওকেমারী (নাইজেরিয়া), সানডে চিজোবা, চিবুইকে ইবিজে (নাইজেরিয়া), আলফ্রেড (নাইজেরিয়া)।