তারুণ্যের অন্যলোক

তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত প্রকাশে সাহায্য নিতে পারেন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের। প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ প ড়া র ব ই সেই সময় লেখক :সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বইয়ের কথা উপন্যাসটি রচিত হয়েছে ১৮৪০ থেকে ১৮৮০ সালের তত্কালীন বাংলার পটভূমিতে। লেখকের মতে, ‘এই কাহিনীর মূল নায়ক হলো সময়।’ আসলেও তাই। ঊনবিংশ শতাব্দীতে ঘটে যাওয়া নানা ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপন্যাসের কাহিনী এগিয়ে চলেছে। কেন পড়বেন লেখকের সার্থকতা এখানেই যে, তিনি উপন্যাসে ইতিহাসের নিরস বর্ণনাকে প্রাণ দান করতে সক্ষম হয়েছেন। তার গল্প বলার সাবলীল ভঙ্গি, বিশদ বর্ণনা আমাদের যেন সেই সময়টিতে নিয়ে যায়। এই উপন্যাসটির জন্যে সুনীল বঙ্কিম এবং একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন। দে খা র ছ বি ফরেস্ট গাম্প পরিচালক :রবার্ট জেমিকিস ছবির কথা বোকাসোকা ফরেস্ট গাম ঘটনাক্রমেই তার জীবন যাপনকে আমেরিকার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলে। কোনো রকম চেষ্টা ছাড়াই সে ফুটবল তারকা হয়ে যায়, জন এফ কেনেডির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার সুযোগ পায়, ভিয়েতনাম যুদ্ধে দেশের হয়ে যোগ দেয়। ফরেস্ট গাম যেন একজন সাধারণ নাগরিকের চোখে দেখা আমেরিকার ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত পাঠ। কেন দেখবেন :ফরেস্ট গাম এমন এক ছবি যা যেকোনো সাধারণ মানুষকে বেঁচে থাকার, বড় হওয়ার এবং সরল-সুন্দর হওয়ার স্বপ্ন দেখায়। জেমিকিনস অত্যন্ত সুচতুরভাবে এ ছবিতে ফরেস্ট গাম চরিত্রের মাধ্যমে মার্কিন ইতিহাসের চিত্রায়ণ করেছেন। গু ণী জ ন আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ আলোকিত মানুষ চাই স্লোগানকে সামনে রেখে যে মানুষটি আলোকিত মানুষ গড়ার ব্রত নিয়েছেন তাকে আমরা সবাই চিনি। তিনি আমাদের প্রিয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। ‘আলোকিত মানুষ চাই’ আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে সত্তরের দশকের শেষ পর্বে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। এই কেন্দ্র পরিচালিত মূলত বই পড়া কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের হাজার হাজার স্কুলপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করেছেন। এ ছাড়াও কেন্দ্র পরিচালিত আরও নানারকম সামাজিক কাজ দেশে এবং বিদেশে সমাদৃত হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিনোদনমূলক ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় তিনি পথিকৃত্। বিনোদন ও সৃজনশীলতার গুণে টিভি উপস্থাপনাকে তিনি নিয়ে গেছেন মননশীলতার উচ্চতর স্তরে। কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, নাটক, জার্নাল, অনুবাদসহ সাহিত্যের বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি তার সৃজনশীলতা ও মননের পরিচয় রেখেছেন। টি প স নববর্ষে উপহার নববর্ষ উপলক্ষে একে অপরকে এটা-ওটা উপহার দেওয়ার রেওয়াজ বহু দিনের। আধুনিক শহর জীবনে সেটা যেন আরও বেড়েছে। আমরা সচরাচর যে ধরনের উপহার প্রিয়জন কিংবা কাছের মানুষকে দিয়ে থাকি এ থেকে বেরিয়ে এসে নজর দিতে পারি দেশীয় পণ্যের দিকে। যেমন কোনো বন্ধুকে উপহার দেওয়ার সময় কাঠ, বাঁশ বা বেতের তৈরি ছোট কিন্তু আকর্ষণীয় শো-পিস উপহার দিতে পারি। গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা গুণী শিল্পীদের হাতে তৈরি অনেক মূল্যবান ও চমত্কার কারুশিল্প নগরীর বিভিন্ন অভিজাত দোকানে বিক্রি হচ্ছে। কারণ বর্তমানে মাটির ফ্রেমে আটকানো চমত্কার সব আয়না পাওয়া যায়। বাংলা সাহিত্যে অনেক অমূল্য সম্পদ আছে, যা নববর্ষ উপলক্ষে উপহার দিতে পারেন ছোট-বড় যে কাউকে। তবে আপনার যদি কাউকে পোশাক কিনে দেওয়ার একান্তই ইচ্ছা থাকে, এ ক্ষেত্রে দেশীয় পোশাকই বাছাই করুন।