সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০১৩, ২১:১০
সেনাবাহিনীর প্রতি বিগত চার দলীয় সরকারও এমন আত্মপ্রত্যয়ী ছিল কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ধারণা ভুল প্রমাণ করে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করলে বিভিন্ন কারণে জাতি বোধহয় খুশি ছাড়া বেজার বা অখুশি হবে না।
মো. ফকরুল ইসলাম টিপু
ছাত্র,
সেনবাগ, নোয়াখালী
প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জাকে অবহিত করে আইয়ুব খান কি সেনা অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিলেন? আমাদের বিপদগামী সেনাবাহিনীর কিছু লোক কি আমাদের রাষ্ট্রপতি এবং জাতির পিতাকে অবহিত করে সেনা অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল? মিশরে হোসনে মোবারক, আনোয়ার সাদাত কাউকে অবহিত করে কি অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিলেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কী করে এ ধরনের মন্তব্য করলেন সেটা আমার মতো সাধারণ মানুষ সহজভাবে বুঝবে না সত্য। বিশ্বে কতরকম খেলা চলছে সেটা তাঁর জানার বাইরে নয়। মাত্র দু’দিন আগে ভারতের প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মার্কানদে কাদজু বলেছেন পাকিস্তান ও বাংলাদেশ একদিন ভারতের সাথে যুক্ত হবে। এই কথাটা কি সাধারণ কথা? এটা কি আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি একটা বিরাট চক্রান্তের অংশ নয়? তাই আমার অনুরোধ আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেন দেশি-বিদেশিদের প্রতি লক্ষ রেখে আমাদের সামনের দিকে নিয়ে যান। তাতে করে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। ১৬ কোটি মানুষ আরও বেশি ঈমানি দায়িত্ব বোধ করবে।
এম মতিউর রহমান
৫/এ, আমিনাবাদ কলোনি,
৫৬/৫৭ সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা
সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করা একান্ত প্রয়োজন। আমি প্রধানমন্ত্রীর কথা বিশ্বাস করলাম না।
সাউড সরকার
ঢাকা
আমরা অতি সত্বর সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। প্রধানমন্ত্রীর এই আত্মপ্রত্যয়ী মনোভাব কতটা ঠিক তাই দেখার বিষয়।
মঞ্জুরুল আলম
বনানী, ঢাকা
দেশে যে বর্তমান পরিস্থিতি তাতে করে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ অবশ্যই প্রয়োজন।
মোস্তান সিরুন
ধানমন্ডি, ঢাকা
গণতান্ত্রিক দেশে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ এটা আশা করা যায় না বা করাও ঠিক নয়।
রিফাত
এইচএসসি পরীক্ষার্থী,
ঝিনাইদহ
গণতন্ত্রের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সেনা সদস্যদের সুদৃঢ় মনোবল রয়েছে এজন্যই তিনি আত্মপ্রত্যয়ী এরকম বক্তব্য রেখেছেন বলে আমার কাছে মনে হয়।
মো. শহীদুর রহমান
কাকিনা, লালমনিরহাট,
রংপুর
বিবিসির সাক্ষাত্কারে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে তিনি স্পষ্টই বলেছেন যে, সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না। কারণ তিনি জানেন যে, যে সেনা সদস্যরা হস্তক্ষেপ করতো তারা তো আর বেঁচে নাই। বিডিআর বিদ্রোহের মাধ্যমে অনেক আগেই তাদের পরকালে চলে যেতে হয়েছে। আর বাকি যাঁরা বেঁচে আছেন তাঁরা আর নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে আসবেন না। কেননা তাঁরা যদি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে তাহলে তাঁদের সেই একই অবস্থায় পড়তে হবে। তাই তিনি এতোটাই নিশ্চিন্তেই একথা বলেছেন।
অরিন
ঢাকা
সম্প্রতি বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না”। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি আশংকা করেছেন, নিকট ভবিষ্যতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ করার সম্ভাবনা আছে? এবং নিশ্চয়তা ও আশ্বাস পেয়েছেন যে, সেনাবাহিনী কারো আন্দোলনের ফসল হিসেবে দৃশ্যপটে হাজির হবে না? সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের বিষয়টির উদ্ভব হয়েছে, কিছুদিন আগে বিরোধীদলের নেতা খালেদা জিয়ার বগুড়াতে দেয়া এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গোলযোগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে, বগুড়াতে সেনাবাহিনী স্বল্প সময়ের জন্য নেমেছিল, প্রশাসনকে সহায়তা করতে। এ নিয়েও আমরা পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও অবস্থান লক্ষ করেছিলাম। এর কদিন পরেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেনা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর ভাই সেনাবাহিনীতে ছিলেন বলে অতীতের স্মৃতি তুলে ধরেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী হয়তো ভেবেছেন সেনাবাহিনীর প্রফেশনাল দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে, হস্তক্ষেপের মতো পরিস্থতি ঘটবে না, এই বিশ্বাসে তিনি আত্মপ্রত্যয়ী সাক্ষাত্কার দিয়েছেন। সবমিলিয়ে আমাদের অভিমত হলো, রাজনীতিতে যে শক্তির মহড়া চলছে, এবং তার অংশ হিসেবে অহিংস গণজাগরণ মঞ্চের লাঠি মিছিল, গফরগাঁও-এর সশস্ত্র গণমিছিল, এবং লালখান বাজারমোড়ে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের উপর যুবলীগ নেতার অস্ত্র প্রয়োগ যদি সমানে চলতে থাকে এবং বিরোধী দলগুলো যদি একই মানের মনোভাব ও কর্ম শুরু করে তাহলে এর নিয়ন্ত্রণ কে বা কারা নেবে? আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সামাল দিতে পারবে? প্রধানমন্ত্রী দয়া করে বর্তমান সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে অভিভাবকের ভূমিকা নিয়ে দেশবাসীকে রক্ষা করুন। মৃত্যুর মিছিল আর যেন দীর্ঘ না হয়, এ বিষয়ে আপনার সময়োচিত পদক্ষেপই আমাদের শেষ ভরসা। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ করা, না করা এই আলোচনা সমালোচনা জাতির জন্য গৌরবের নয়।
মুরাদ হোসেন
মধুখালী,ঝিকরগাছা,
যশোর
পৃথিবীর ইতিহাসে দেখা গেছে ক্ষমতাসীন ব্যক্তি বা দল বা গোষ্ঠী ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদের এক মুহূর্ত পূর্বেও চরম আত্মপ্রত্যয়ীভাব দেখাতে কোনো প্রকার কার্পণ্য বোধ করেন না। কাজেই বর্তমান বাংলাদেশের এই চরম মুহূর্তে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না বলে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আত্মপ্রত্যয়ী বক্তব্য কোনো বিশেষ তাত্পর্য বহন করে বলে আমরা বিশ্বাস করি না।
আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে শুরু করে অদ্যাবধি যে কোনো জাতীয় দুর্যোগে জনগণের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পিছপা হয়নি। যেহেতু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি সুশৃঙ্খল পেশাদারী সংস্থা সেহেতু পেশাদারী কর্মকাণ্ডের বাইরে সাংবিধানিকভাবে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনায় হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। বরং নির্বাচিত সরকার কর্তৃক আদিষ্ট সহযোগিতা ভিন্ন অন্য কোনো পন্থায় তাদের কর্মকাণ্ডেরও অবকাশ নেই।
দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘে শান্তি মিশনসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী পেশাদারী কর্তব্যনিষ্ঠা, দক্ষতা, নিয়মানুবর্তিতা ও ন্যায়নীতির যে পরম পরাকাষ্ঠা দেখাতে সক্ষম হয়েছে তা আফ্রিকা, ল্যাতিন আমেরিকা এমনকি এশিয়া মহাদেশের সংশ্লিষ্ট অনেকের কাছে ঈর্ষণীয়। ইতিপূর্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিজ দেশে ভোটার আইডি প্রকল্প অত্যন্ত সফলতার সাথে সম্পন্ন করে ১ কোটি ৩০ লক্ষ ভুয়া ভোটার তিরোহিত করে যে প্রশংসা কুড়িয়েছে তা ইতিহাসের পাতায় সমুজ্জ্বল। সেনাবাহিনী দেশের অর্থনীতিতে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার যোগান দিয়ে দেশ গড়ায় যে সবিশেষ অবদান রাখছে তা কারো অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এ অবস্থায় পেশাদারী দায়িত্বের বাইরে সেনাবাহিনীর যাওয়ারও সুযোগ নেই । যদিও এ উপমহাদেশে জাস্টিস মুনির উদ্ভাবিত ‘Doctrine of Necessity’-এর দোহাই দিয়ে অতীতে আর্মি শাসনের সামাজিক বৈধতা দেয়া হয়েছে। বস্তুত, ঐ শাসন দেশ ও জাতির জন্য কোনো কল্যাণই বয়ে আনেনি।
ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী
৫-বিসিসি রোড, নবাবপুর,
ওয়ারী, ঢাকা
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী বিবিসির সাথে এক সাক্ষাত্কারে আত্মপ্রত্যয়ীভাবে বলেছেন যে, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের কোনো সম্ভাবনা নেই। প্রধানমন্ত্রীর এরকমভাবে আত্মবিশ্বাসের অনেক কারণ আছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। হয়তো তিনি সেনাবাহিনীকে একান্ত অনুগত হিসেবে তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়া বর্তমান সরকার ক্ষমতায় বসার মাত্র অল্প দিনের মধ্যে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় অত্যন্ত রহস্যজনক ভাবে ৫৭ সেনা অফিসারকে হত্যা করা হয়। এমন ঘটনা পৃথিবীতে নজিরবিহীন। এতে করে সেনাবাহিনীর অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এসব কারণে হয়তো প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীকে দুর্বল ভাবতে পারেন। যাই হোক প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, সেটা সত্য হওয়াটাই দেশের গণতন্ত্রের জন্য মঙ্গলজনক।
সাইফুল ইসলাম তানভীর
মোরেলগঞ্জ,
বাগেরহাট
আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশ আর এদেশের জনগণের বিরুদ্ধে কেন সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ হবে। বিবিসির অনলাইনে দেয়া সাক্ষাত্কারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ চাওয়া হবে না। তিনি তাঁর সাক্ষাত্কারে যুক্তিযুক্ত কথা তুলে ধরেছেন। বিরোধী দল চাচ্ছে সেনা হস্তক্ষেপ। দেশে এমন কিছু হয়নি যে সেনা হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। সেনাবাহিনীকে অবশ্যই জনগণের হয়ে কাজ করতে হবে, দেশ বিরোধীদের হয়ে নয়। তাহলে কি সেনাবাহিনী বিতর্কিত করতে চাচ্ছে বিরোধী দল? বিতর্কিত না হয়ে সেনাবাহিনীকে দেশের টানেই জনগণের পক্ষে থাকা উচিত।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
সরকারি দল ও বিরোধী দলের কাছে অনুরোধ, আপনারা গণতন্ত্রের নামে সাধারণ মানুষের জানমাল নিয়ে খেলা করবেন না। কারণ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী যে হাতের উপর হাত দিয়ে বসে থাকবে, সেটা মনে হয় না। আপনারা দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবেন, আর সেনাবাহিনী চুপ করে বসে থাকবে সেটা মনে হয় না। দেশ রক্ষা করার জন্য এবং সাধারণ মানুষের জানমালের হেফাজতের জন্য সেনাবাহিনী নিশ্চয়ই সামনে আসবে।
সৈয়দ হায়দার আলী
মহাখালী, ঢাকা
কোনো গণতান্ত্রিক মানসিকতার ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দল কখনো সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করতে পারে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও এই আত্মপ্রত্যয়ী বক্তব্যে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটাই স্বাভাবিক বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, সহিংসতা, জ্বালাও-পোড়াও, হরতালের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে আসার মূলমন্ত্র কী হতে পারে? বাংলাদেশের শান্তিকামী জনগণ অপেক্ষা করছে বৃহত্ দুইটি রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তের জন্য। শান্তিকামী জনগণ প্রত্যাশা করে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উভয়েই বুঝতে পারবেন জনগণের প্রত্যাশিত আকাঙ্ক্ষা। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ, জরুরি অবস্থা, একনায়কতন্ত্র, ১/১১-এর মতো সেনাবাহিনীর ছায়ায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার কারও কাম্য নয়। দুই নেত্রী ভালো করেই জানেন, গণতান্ত্রিক পরিপন্থি সরকারব্যবস্থায় রাজনীতি ও রাজনীতিবিদদের কী করুণ অবস্থা হতে পারে। বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে দুই নেত্রীর ফলপ্রসূ ভূমিকা রাজনৈতিক অঙ্গনে মাইল ফলক হয়ে থাকবে আগামী প্রজন্মের কাছে। অন্যদিকে ব্যর্থতাই আগামী প্রজন্মের কাছে বর্তমান রাজনীতি ঘৃণার উপাদান হিসাবে চিহ্নিত হবে।
মনজু খন্দকার
চুয়াডাঙ্গা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেছেন তা সঠিক। কারণ আমাদের গণতান্ত্রিক দেশ। এই গণতান্ত্রিক দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনি কখনো চাইবেন না যে, সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা যাক। যদিও দেশে অস্থিরতা বিরাজমান। তবু আমরাও চাইবো দেশ গণতান্ত্রিক উপায়ে চলুক।
শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু
কালিহাতী,
টাঙ্গাইল
দেশে বর্তমান যে অবস্থা তাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাত্কারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি অত্যন্ত আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে সেনাবাহিনীর কথা বলেছেন। আমরা মনে করি, দেশে তো যুদ্ধ শুরু হয়নি বা এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি যে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন।
হোসনে আরা
আজিমপুর, ঢাকা
অতি সম্প্রতি বিবিসির সাক্ষাত্কারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না। তিনি আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে এ বক্তব্য রেখেছেন। বক্তব্যটি অত্যন্ত জোরালো। তবে আমরা মনে করি, বর্তমানে যে রাজনৈতিক সংঘাতের দিন যাচ্ছে তার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়টি ভাবা দরকার। ১৬ কোটি মানুষের একটি দেশের অপরিমেয় ক্ষতির কামনা করতে পারি না।
মো. সেলিম
মহাখালী, ঢাকা
আমরা মনে করি, দেশকে বর্তমান সংকট থেকে রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক সংকট থেকে রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক নিরবচ্ছিন্নতা বজায় রাখার জন্য বিরোধের মূল ইস্যুগুলোর সমাধান করতে হবে। তিনটির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
বজলুল করিম
এনায়েতগঞ্জ লেন,
ঢাকা
সেনাবাহিনীর দায়িত্ব দেশের সার্বভৌমত্ব ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারকে সহায়তা করা। সেনাবাহিনী শাসন ক্ষমতায় এলে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ হয়, দেশের জনগণ সেটি চান না। ১/১১-র প্রাক্কালে দেশ যখন গৃহযুদ্ধের পর্যায়ে এসে পড়েছিল তখন সে পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সেনাবাহিনীকে হাল ধরতে হয়েছিল। আসন্ন নির্বাচনের রূপরেখার বিষয়ে বর্তমানে সরকার ও বিরোধী দলের মতানৈক্যের ফলে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। দেশে লাগাতার হরতাল, জ্বালাও-পোড়াও চলছে। অর্থনীতিও ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দু’দলের নেতৃবৃন্দ নিজেদের বিরোধিতা ত্যাগ করে যদি আলোচনায় বসেন তবে এই সংকটের অবশ্যই সুরাহা হবে। দেশের জনগণও তাই চান। আর সমস্যার সমাধান হলে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপেরও প্রয়োজন হবে না। তবে সেটি নির্ভর করছে দু’দুলের সদিচ্ছার ওপর।
সুফিয়া রহমান
মোহাম্মদপুর, ঢাকা ১২০৭
বিবিসির সাথে সাক্ষাত্কারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনেক আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি যেদিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তাঁর আত্মবিশ্বাস ভেঙে পড়তে বেশি সময় লাগবে না হয়তো।
খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
আমরা মনে করি সরকার যদি বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুর একটা নিষ্পত্তি করতে পারেন তাহলেই সব সমস্যার সমাধান হবে।
আইরিন সুলতানা সন্জু
ধুপপুর, মাইজপাড়া,
চট্টগ্রাম
এদেশের রাজনৈতিক এমন অবস্থা যে, কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। তাই প্রয়োজন এখন তৃতীয় কোনো পক্ষের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের। আর সেই তৃতীয় পক্ষই তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সম্প্রতি বিবিসিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সাক্ষাত্কার দিয়েছেন তা অত্যন্ত জোরালো তবে তত্ত্বাবধায়ক বিষয়ে এগিয়ে আসা দরকার।
সৈয়দা নাসরিন সুলতানা
স্যানি সাইড, নিউইয়র্ক
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আত্মপ্রত্যয়ী বক্তব্যকে আমি ইতিবাচক মনে করি। গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে তবে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই কাম্য নয়। মাত্রাতিরিক্ত জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে এ ধরনের প্রত্যয় বালির বাঁধের মতো ভেঙে যায়। সেনাবাহিনী দেশের বাস্তবতার সাথে সম্পৃক্ত জনগোষ্ঠী দুর্যোগ-দুর্বিপাকে কাঠের পুতুল হয়ে থাকবে তা ভাবা সমীচীন নয়। সরকার পরিচালনায় তাদের হস্তক্ষেপ থেকে দূরে থাকার পথ হলো স্থিতিশীল সমাজ কাঠামো। গণতন্ত্রের এই স্তরে আমরা পৌঁছেছি কিনা তা দেখতে আয়নার সামনে নিজেকে দাঁড় করাতে হবে।
সুমন সিয়াধার
মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা
সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ না হলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাত্কারে যে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন আশা করি তা পরিবর্তন করে বাস্তবতার ক্ষেত্রে সরকার নমনীয় মনোভাব দেখাবে।
নীলফা আক্তার
টোলার বাগ,
মিরপুর, ঢাকা
বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাত্কারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মতো আমরাও মনে করি, বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষতা ও সহনশীল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে হবে। এ দেশের মানুষ দেশকে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথেই দেখতে চায়।
এস কে মোহাম্মদ রমিজউদ্দিন
প্রশিকা কেন্দ্রীয় কার্যালয়, মিরপুর, ঢাকা
ধন্যবাদ জানাই অতিসম্প্রতি বিবিসিকে দেয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সাক্ষাত্কারের জন্য। তবে পাশাপাশি বলতে চাই রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সংলাপ একান্ত জরুরি। কারণ সংলাপের মাধ্যমেই সরকার ও বিরোধী দলকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ গড়তে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে।
হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী
ফকিরহাট, নোয়াখালী
‘সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না’—মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে এ উক্তি করেছেন। তবে আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যে সব কথা বলেছেন, তা নাগরিকদের অনেকটা আশ্বস্ত করেছে।
আলহাজ ইঞ্জিনিয়ার মোমেনউদ্দিন আহমেদ
বীর মুক্তিযোদ্ধা,
পশ্চিম মনিপুর, মিরপুর, ঢাকা
দেশে বর্তমানে সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বহির্বিশ্বেও এ নিয়ে চলছে নানা সমালোচনা। তবে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত্কারে সরকারের মনোভাব অনেকটাই স্পষ্ট হয়েছে বলে আমরা মনে করছি।
মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম
শেওড়াপাড়া,
মিরপুর, ঢাকা
বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাত্কারে দেশের বিভিন্ন বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন তা নিশ্চয় নাগরিকদের অনুপ্রাণিত করবে।
কাউছার আকন্দ
মতিঝিল, ঢাকা
অতিসম্প্রতি বিবিসির সাক্ষাত্কারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই আত্মপ্রত্যয়ী বক্তব্য অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে আমরা মনে করি। তবে আমরা মনে করি, বিরোধী দলকে নিয়ে আলোচনায় বসা একান্ত দরকার। বর্তমান নাজুক পরিস্থিতিতে সবাই আশা করে, সরকারের দমননীতি নয় বরং সংলাপের মাধ্যমেই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটালে রাজনীতির উত্তাপ কমে আসবে।
আবদুল মালেক মিয়া
মিরপুর, ঢাকা
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বিবিসির সাথে এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন ‘সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না’—এ প্রসঙ্গে আমাদের বক্তব্য হলো পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে। আমরা জানি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে ১৫ আগস্ট সপরিবারে নৃশংস হত্যার মধ্য দিয়ে এ দেশের রাজনীতিতে বিশ্বাস ভঙ্গের সূচনা হয়েছিল। শোনা যায়, বঙ্গবন্ধুও বিভিন্ন সোর্স থেকে সেনা অভ্যুত্থানের খবর আমলে নেননি। তাঁর মহান হূদয় বাংলাদেশের মানুষের উপর থেকে বিশ্বাস হারাতে চায়নি। ফলে আমরা অনাকাঙ্ক্ষিত একটি বর্বরতম হত্যাকাণ্ড দেখলাম। অনুরূপ আরো একটি ঘটনা ঘটেছে জিয়া হত্যার মাধ্যমে। সেটিও দুঃখজনক ঘটনা নিঃসন্দেহে।
তিনিও প্রধান সেনা কর্মকর্তা হিসেবে ক্ষমতায় ভাগ বসান মোস্তাককে সরিয়ে। শোনা যায়, তাঁর আমলে প্রচুর সেনা বিদ্রোহ ঘটেছে এবং তিনি তা কঠোর হস্তে দমন করেছেন। পরবর্তী সময়ে প্রেসিডেন্ট সাত্তারকে সরিয়ে আরেক সেনানায়ক ক্ষমতা গ্রহণ করেন। এই ইতিহাসটুকু স্মরণ করলেই বোঝা যায়, এ দেশে সেনাবাহিনী ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করে কিনা। সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক প্রধান ফখরুদ্দিন এবং প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আমলেও যথেষ্ট প্রভাব বিস্তারকারী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় সেনাবাহিনী। আর সেজন্যই বলা যায় না সেনাবাহিনী ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করবে না। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কিংবা নাজুক অবস্থার প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনী তাদের শক্তি প্রয়োগ করে। এটা কখনো হয়েছে রক্তপাতহীন, কখনও হয়েছে রক্তাক্ত। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথায় শতভাগ বিশ্বাস রাখতে পারি না, অতীত দিনের ইতিহাস জানা আছে বলে। আমরা আশাবাদী মানুষ। সে ভরসায় আগামী দিনের সোনালি স্বপ্নের শান্তির বীজ বুনতে আগ্রহী—যেখানে কোনো অশুভ শক্তির ছায়া পড়বে না।
ওয়াহিদ মুরাদ
নেসারাবাদ, পিরোজপুর
আমার বলার আর কিছু নেই শুধু চেয়ে চেয়ে দেখছি আমার সোনার বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে যাওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনী কেন আসবে না? ‘৭১-এর যুদ্ধে আমরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহায্য নিয়ে দেশকে মুক্ত করিনি? এখন দেশকে বাঁচাতে হলে সেনাবাহিনী একান্ত প্রয়োজন। তা না হলে এখন এই দেশ এমন পরিস্থিতিতে আছে যে ঘরে ঘরে ব্লগার, জঙ্গি, শিবির—এদের হাতে সাধারণ মানুষ জিম্মি। এখন সরকার এবং বিরোধী দল কে সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। আমার ভাবতে অবাক লাগে যে, মনে হয় বাংলাদেশ বোমা, ককটেলের কারখানা। এর শেষ কোথায়?
ফওজিয়া মুন্নী
পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা
দেশে বর্তমানে যে নাশকতা ও অরাজকতা চলছে এ সময়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোবল দৃঢ় ও শক্তিশালী আছে বলেই তিনি বিবিসির সাক্ষাতে বলেছেন যে, সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না। দেশবাসীর নিরাপত্তার জন্য বিডিআর, পুলিশ, র্যাব বাহিনী, স্পেশাল ব্র্যাঞ্চ কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কঠোর ও শক্তিশালী পদক্ষেপে সকল রাজনৈতিক সংলাপের মধ্যে সমস্যার সমাধান আনতে পারে।
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বহিরাগত আক্রমণের হাত থেকে দেশ রক্ষা করার জন্যই সেনাবাহিনী। চলমান রাজনৈতিক বিবাদ, কোন্দল, ঝগড়া মেটানো সেনাবাহিনীর কাজ নয়। সেনাবহিনী কি মাছি মারতে কামান দাগাবে? প্রধানমন্ত্রীর আত্মপ্রত্যয়ী বক্তব্য সঠিকভাবে দিয়েছেন।
আশা এলিজাবেত গোমেজ
লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা
‘‘সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না’’—মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে এ কথা বলেছেন। কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে কখনও কখনও সেনাবাহিনী প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।
মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহিদ উল্লাহ
মিরপুর, ঢাকা
বর্তমানে দেশের যে রাজনীতির অবস্থা তাতে করে মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ রাজনীতি কখনোই কাম্য নয়। হরতালে ভাংচুর ও জ্বালাও-পোড়াও কিংবা বিরোধী দলের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন এগুলো কোনোটাই রাজনীতির হাতিয়ার হতে পারে না। রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বুঝতে হবে, এভাবে দেশ চলতে পারে না। জরুরি অবস্থা কিংবা দেশের শাস্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এই মুহূতে সেনাবাহিনী দরকার।
লাড্লা
পিলখানা, ঢাকা
আমরা মনে করি সেনাবাহিনী প্রতিটি মুহূর্তে দরকার। দেশের যে অবস্থা তাতে দেশের সাধারণ মানুষের চলাফেরা করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। মেহনতি মানুষ কীভাবে জীবনযাপন করবে?
মোহাম্মদ রাসেল শাহানুর
মৌলভীবাজার,
সিলেট
ব্যক্তিগত জীবনে আত্মপ্রত্যয়ী হওয়া ভালো। কিন্তু সমষ্টিগত জীবনে যে কোনো বিষয়ে আত্মপ্রত্যয়ী হবার ভূমিকায় অবতীর্ন হবার আগে আগাম ভাবনা মাথায় রাখতে হয়। উদ্দেশ্য মহত্ হলে আর দাম্ভবিকতা মনে পোষণ না করলে সমষ্টিগত জীবনে শত বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও সফলতা আসবেই। আমাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অধীনস্থ। সশস্ত্রবাহিনীকে তিনি হয়তো তাঁর মনের মতো করে ঢেলে সাজিয়ে রেখেছেন। আর তাই প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী দেশের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনে হস্তক্ষেপ করবে না বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এতো আত্মপ্রত্যয়ী। তবে আমাদের মনে রাখা উচিত, তত্কালীন ব্রিটিশ শাসক যাত্রীবাহী জাহাজ টাইটানিক নিয়ে আত্মপ্রত্যয়ীর সাথে দাম্ভবিকতার সাথে বলেছিল, পৃথিবীর কোন শক্তিশালী বোমাই তাদের টাইটানিকের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কিন্তু আফসোস টাইটানিকের প্রথম যাত্রাতে সাগরের তিমিরের সাথে ধাক্কা খেয়ে শত শত যাত্রীর ও জাহাজের কী করুণ পরিণতি হয়েছিল। তাই কোনো কিছু নিয়ে এককভাবে এত আত্মপ্রত্যয়ী হওয়া সমীচীন নয়।
মোহাম্মদ লুত্ফর রহমান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা