প্রশিক্ষণ

মেয়েদের নতুন পেশা

চ্যালেঞ্জিং পেশায় বাঙালি মেয়েদের অংশগ্রহণ অপেক্ষাকৃত কম হলেও দৃঢ় মনোবল নিয়ে অনেকই গর্ব করার মতো সাফল্যের শীর্ষে উঠে এসেছে। এ ধরনের উল্লেখ করার মতো পেশায় কৃতিত্ব দেখিয়েছে সাওসান রহমান, যাকে অনুসরণ করে পরবর্তীতে অনেকে সাফল্যের সিঁড়িতে পা রাখতে পারেন। তার একজন পরিপূর্ণ পেশাদার অ্যারোপ্লেন ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। বাংলাদেশের মেয়ে সাওসান রহমান এইচএসসি পাস করে ভর্তি হয়েছিলেন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। বর্তমানে তিনি পর্তুগালের এবোনো লিসবোন ইউনিভার্সিটিতে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করছেন। সাওসানের বাবা প্রফেসর ড. হাফিজুর রহমান মেয়েকে এই চমত্কার ভবিষ্যতের সিঁড়িতে পা রাখতে যথেষ্ট সহায়তা করেছেন। উচ্চশিক্ষায় মেয়ের এই অভূতপূর্ব সুযোগে বাবা-মা দুজনই গর্বিত। এ দেশে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নতুন কোনো সাবজেক্ট নয়। তবে সময়ের সাথে এই শিল্পের বিকাশ ঘটে এবং একাডেমিক ধারায় শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। আমাদের দেশে এই বিষয়টি অনেকের জন্য নতুন মনে হতে পারে। কেননা এ দেশে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে অতি সম্প্রতি। চাহিদার জন্যই বিষয়টির কার্যক্রম রয়েছে পুরো বিশ্বজুড়ে। এ ছাড়া তারা এয়ারক্রাফটের নিত্য নতুন ডিজাইন উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, পরীক্ষা-পর্যবেক্ষণ, এয়ারফ্রেম ইঞ্জিন তৈরি, অনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতির সংযোগ স্থাপন, মেরামত প্রভৃতি করে থাকে। এ বিষয়ে আরও জানতে কথা বলতে পারেন এই নম্বরে ৮৯৯১৩৭১। এনডি এইচএনডি ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে এই পেশার জন্যে ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স। যা মূলত এসএসসি, এইচএসসি বা ‘এ’, ‘ও’ লেভেল পাসকৃতরা করতে পারে। যেকোনো বিভাগ হতে যেকোনো সালে পাসকৃত শিক্ষার্থীরা এটি সম্পন্ন করতে পারেন। এ বিষয়ের শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ট্রান্সফার করে ইউকে, ইউএসএ, কানাডা প্রভৃতি দেশে চলে যেতে পারে। এটি এমন একটি বিষয়ে যার চাহিদা এবং কারিকুলাম পুরো বিশ্বজুড়ে একই রকম। আর চাকরির ক্ষেত্রে সামাজিক মর্যাদা, খ্যাতি এবং স্যালারী আশাতীত।