ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনালে

চ্যাম্পিয়নস লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তারা। নতুন আইনের সুবাদে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ব্যর্থ হয়েও এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার সুযোগও পেয়েছিল। কিন্তু গ্রুপপর্বেই বিদায় নিয়েছে তারা চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে। ইংলিশ লিগ জয়েরও আর কোনো সম্ভাবনা নেই। একদিকে ইউরোপা লিগ, আরেকদিকে এফএ কাপ ধরে রাখা; এই দুটো স্বপ্নই ছিল তাই চেলসির এ বছরের শেষ সম্বল। রবিবার ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়ে এফএ কাপের স্বপ্নটাও শেষ হয়ে গেল চেলসির। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে হারকে অবশ্য ঠিক মাঠের ফলাফল হিসেবে মেনে নিতে পারছেন না চেলসি কোচ রাফায়েল বেনিতেজ। তিনি বলছেন, রেফারির অন্তত দুটি ভুল সিদ্ধান্তের ফল তাদের এই পরাজয়। পাঁচ বছরের মধ্যে চতুর্থবারের মত ফাইনালে খেলার সুযোগ ছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চেলসির সামনে। কিন্তু সেমিফাইনাল ম্যাচটির শেষ পর্যায়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল চেলসি। ফলে সমতাসূচক গোল আদায় করে নিতে পারেনি তারা। পরে ব্যবধান কমালেও ম্যানসিটি বড় লিড নিয়ে নিয়েছিল খেলায়। সামির নাসরি এবং সার্জিও অ্যাগুয়েরোর গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল। অবশ্য ডেম্বা বা একটি গোল শোধ করে দিলে পালে হাওয়া পেয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু এরপর আর সমতা ফেরাতে পারেনি চেলসি। বেনিতেজ অবশ্য দাবি করছেন, ফার্নান্দো তোরেস পেনাল্টি পেতে পারতেন। এছাড়া ডেভিড লুইজকে বাজেভাবে ফাউল করলেও লাল কার্ড দেখতে হয়নি অ্যাগুয়েরোকে। অ্যাগুয়েরোর এই ফাউল নিয়ে এখনও বিতর্ক চলছে। তবে তোরেসের যে পেনাল্টি পাওয়ার কথা বলছেন বেনিতেজ, সেটা আসলেই সিটির পক্ষে খুব সৌভাগ্যের একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে রেফারির পক্ষ থেকে। ফার্নান্দো তোরেসের সাথে ভিনসেন্ট কম্পানির রীতিমতো বল দখলের যুদ্ধ হয়েছে পেনাল্টি অঞ্চলে। তবে স্পেনের স্ট্রাইকার পেনাল্টি পাননি। বেনিতেজ বলেন, ‘এটা কি পেনাল্টি ছিল? হ্যাঁ পরিষ্কার, খুবই পরিষ্কার। ন্যায্য কাজ করলে অবশ্যই পেনাল্টি দেওয়া উচিত ছিল এবং কোম্পানিকে মাঠ ছাড়তে বলা উচিত ছিল। আপনি ভিডিওটা দেখে থাকবেন। দ্বিতীয়ার্ধে দুইবার এমন ঘটনা হয়েছে। তবে এটাও ঠিক যে, খুবই ভাল একটা দলের বিপক্ষে আমরা খেলেছি। যদি তারা আরো একটি গোল করতে পারতো তাহলে সব কিছুর উর্ধ্বে চলে যেতো। আমরা এগিয়ে চলেছিলাম এবং সুযোগ ছিল আমাদের ফিরে আসার। তাই সিদ্ধান্তটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’