সাম্প্রদায়িক সহিংসতা রুখে দিয়ে আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়

দেশের বিভিন্ন স্থানে সামপ্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার পাদদেশে প্রতিবাদী সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশের স্লোগান ছিল “সাম্প্রদায়িক সহিংসতা রুখে দাঁড়াও, আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াও, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নাও।” এসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সংহতি সমাবেশে আট দফা বিশিষ্ট ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। সমাবেশে বক্তারা শুধু সংহতি নয় এ সকল অশুভ শক্তি প্রতিরোধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সমাবেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুণ-অর-রশিদ বলেন, সামপ্রদায়িক শক্তি দেশে পাকিস্তানি ভাবাদর্শ তৈরি করে পাকিস্তান রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য অপতত্পরতা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা রক্ষার জন্য জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, সুপরিকল্পিতভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করার জন্য জামায়াত-শিবিরের সাথে বিএনপি অপতত্পরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ৬ এপ্রিল মতিঝিলে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে আক্রান্ত একুশে টিভির ক্যামেরাপারসন নাদিয়া শারমিন মুঠোফোনে অনুষ্ঠানের সাথে সংহতি প্রকাশ করে বলেন, “নারীকে নির্যাতন করে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা যায় না। এছাড়াও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশনের মহা-সচিব ড. এম ওহিদুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. এম. আকাশ, অধ্যাপক অজয় রায়, শহীদ জয়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোঃ আশরাফ-উল-আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এ. কে. এম. মনিরুজ্জামান, নীল দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ জাকারিয়া মিয়াসহ রাজনীতিবিদ, সংস্কৃতিকর্মী, নারীনেত্রীসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিগণ সমাবেশে বক্তৃতা করেন। এছাড়াও দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের হত্যাযজ্ঞ, নৈরাজ্য, নিপীড়নের স্বীকার ভুক্তভোগী এবং সচেতন প্রতিরোধকারীরাও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এফ এম শরীফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম সিরাজুল ইসলাম সংহতি প্রকাশ করেন।