নালিতাবাড়ীতে গৃহবধূর লাশ উত্তোলন

গত বুধবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের উপস্থিতিতে কাটাবাড়ি থেকে ৭৯ দিন পর গৃহবধূ শরুফার লাশ উত্তোলন করা হয়। সূত্র জানায়, উপজেলার আমবাগান বেকিকুড়া গ্রামের মাসুদ রানার স্ত্রী শরুফা গত ২৭ জানুয়ারি রাতে নিজ ঘর থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন ভোরে ঘরের সামনের কাঁঠাল গাছে তার ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। এসময় স্বামী ও স্বামীর বাড়ির লোকজন এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়। থানায় অপমৃত্যু মামলার পর পোস্টমর্টেম রিপোর্টেও আত্মহত্যার কথা বলা হয়। কিন্তু শরুফার ভাই কামাল মিয়া তার বোনকে হত্যা করা হয়েছে মর্মে আদালতে মামলা করেন। এ প্রেক্ষিতে গত ১০ মার্চ আদালত লাশ তুলে পুনরায় ময়না তদন্তের নির্দেশ দেন। এ প্রেক্ষিতে গত বুধবার দুপুরে নির্বাহী মেজিস্ট্রেট, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়। এসময় স্বজনদের কান্নায় আশপাশ ভারি হয়ে ওঠে। মামলার বাদী কামাল মিয়া জানান, ১১ বছর আগে শরুফার বিয়ে হয় । ঘরে মিশু (১০) ও মিতু নামে (৫) দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৩ মাস আগে মাসুদ রানা পরকীয়ায় জড়িয়ে মর্জিনা নামে একটি মেয়েকে বিয়ে করে। এরপর থেকে তাদের সংসারে ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকতো। এরই এক পর্যায়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর সাথে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার বোনকে হত্যা করে মাসুদ রানা।