স্বপ্ন
লক্ষ্য যখন সেরা প্রফেশনাল
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০১৩, ১৮:০৪
শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীরই আশা অপ্রত্যাশিতভাবে পূরণ হয় না। কেউ আছেন উচ্চশিক্ষা নেয় ঠিকই কিন্তু লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না। কিছু শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি গ্রহণ করে না পায় চাকরি না পারে ব্যবসা করতে। যারা অনেকেই সারা জীবন অসঙ্গত কর্মক্ষেত্র নির্বাহ করে অতৃপ্ত জীবন বয়ে বেড়ায়। এর একটাই কারণ, সঠিক বিষয় নির্বাচন করে ডিগ্রি অর্জন না করা। এই সুযোগ রয়েছে অ্যাভিয়েশন খাতে। ক্রমে এই খাতের বিকাশের সাথে জনবলের চাহিদা যেমন বেড়েছে সাথে যোগ হচ্ছে নতুনত্ব। ভ্রমণ পর্যটন বা উড়োজাহাজ সংক্রান্ত সার্বিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক সংখ্যক জনবল প্রয়োজন পড়ে। এর অন্তভুক্ত কোর্সগুলো হচ্ছে এনডি এইচএনডি ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ-এমবিএ ইন অ্যাভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট, ট্রাভেল ট্যুরিজ্যম অ্যান্ড টিকেটিং, পাইলটিং, এয়ারহোস্টেস কেবিন ক্রু প্রভৃতি। বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ড , বিটেক, এডেক্সেল এবং ইন্টারন্যাশনাল একরিডিটেশন অরগানাইজেশন অধীনে এসব কোর্স সম্পন্ন করার পর সাধারণত বেকার বসে থাকতে হয় না। মাত্র চার বছরে বাংলাদেশে সর্বতোভাবে সমাদৃত ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাবোর্ড বিটেক এডেক্সেলের অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অনার্স ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১৮ মাসের লেভেল থ্রি সম্পন্ন করতে হবে। এবং আরও ১৮ মাসের পর লেভেল ফাইভ অর্থাত্ এইচএনডি। এরপর চতুর্থ বছরে টপআপ বিবিএ বা বিএসসি।
বিষয়টি পড়ালেখা করতে খরচ যথেষ্ঠ কম। এ ক্ষেত্রে ১৮ মাস লেভেল-৩ বা এ লেভেল করতে সর্বমোট খরচ পড়বে মাত্র তিন লাখ টাকা, ১৮ মাস লেভেল-৫ করতে মোট খরচ পাঁচ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং ১ বছর ইউকে-তে কিংসটন ইউনিভার্সিটিতে টপ আপ বিএসসি করতে কিংসটন ইউনিভার্সিটির ১ বছরের টিউশন ফিস দিতে হবে। তবে টিউশন ফিস সেমিস্টার ওয়াইজ পে করতে হবে। আর জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :সেক্টর-১১, রোড-২, বাড়ি-১৪, উত্তরা, ঢাকা; অথবা কথা রলতে পারেন এই নম্বরে :৮৯৯১৩৭১। এই সেক্টরে পেশা গড়তে আসতে হয় এসএসসি, এইচএসসি বা ‘এ’ লেভেল বা ‘ও’ লেভেল সম্পন্ন করে। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার সাথে কিছূ বাড়তি যোগ্যতা থাকতে হয়। এই খাতে দীর্ঘ মেয়াদি বড় ডিগ্রি রয়েছে আবার রয়েছে শর্ট কোর্স। এসব কোর্স আন্তর্জাতিক মান এবং পরিমণ্ডলের হওয়ার কারণে পুরো বিশ্বজুড়ে চাকরি করার সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে এসব কোর্স শেখানোর দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক মানের কাঠামোগত অবস্থান, সঠিক ফাইন্যান্সিয়াল ক্যাপাসিটি, শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ক্লাসরুম, কম্পিউটার ল্যাব সুবিধা, ইন্টারনেট, লাইফ এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার সুযোগ, পড়ালেখার সুন্দর পরিবেশ, সিকিউরিটি এবং সর্বোপরি এ ক্ষেত্রে রয়েছে চমত্কার সাফল্যের অবস্থান।