যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতেই ভিন্ন নামে ‘হেফাজত’

রাজধানীতে এক গুণীজন সংবর্ধনায় বক্তারা বলেন, ‘সারাদেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারকে উত্খাতে বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্রে হেফাজতে ইসলামের নামে তাদের দোসররাই ভিন্নরূপে অবির্ভূত হয়েছে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করাই এ চক্রের আসল উদ্দেশ্য। এ জন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে আরো একবার বিজয়ী করতেই হবে।’ গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি আসাদ চৌধুরী, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত ডা. মোশারফ হোসেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইসরাফিল আলম এমপি এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী সতীশ চন্দ্র রায় বলেন, ‘সরকার উত্খাতে বিএনপি-জামায়াত যে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে তাতে হেফাজতের আশ্রয়ে তারাই নতুন রূপে মাঠে নেমেছে।’ বাংলাদেশ শিশু-কিশোর ফাউন্ডেশনের সভাপতি আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন- কবি আসাদ চৌধুরী, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আশরাফুন্নেসা মোশারফ এমপি, মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ইঞ্জিনিয়ার মোদাচ্ছের হোসেন, এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, রঞ্জন রায় প্রমুখ। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি সতীশ চন্দ্র রায় এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ সভাপতি এম এ জলিল গুণীজনদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ডা. মোশারফ হোসেনের পক্ষে ক্রেস্ট গ্রহণ করেন তাঁর সন্তান ইঞ্জিনিয়ার মোদাচ্ছের হোসেন।