খণ্ডিত লাশ হওয়া এই হতভাগিনী কে?

আট দিনেও জানা গেল না খন্ডিত লাশ হওয়া তরুণীর পরিচয়। কেউ খোঁজ নিতেও আসেনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে। গত বৃহস্পতিবার বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে তাকে দাফন করা হয়েছে জুরাইন কবরস্থানে। গত ১৩ এপ্রিল রাজধানী উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরে ( আব্দুল্লাহপুর এলাকায় ) একটি বাস কাউন্টারের পাশ থেকে ব্যাগের ভেতর এই তরুণীর দুই পা কাটা লাশ উদ্ধার করে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। লাশ ঐ দিনই পাঠানো হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে। আর এর চার দিন আগে আশুলিয়া এলাকায় থেকে উদ্ধার করা হয় পা দুইটি। তরুণীর বয়স ২০ থেকে ২৫ এর মধ্যে। পরনে ছিল গোলাপি রঙের কামিজ। উদ্ধারের দিন তরুণী লাশ ভরা ব্যাগটি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পড়েছিল বাস কাউন্টারের পাশে। কোন যাত্রী ব্যাগটি না নেয়ায় বাস কাউন্টারের লোকজন পুলিশকে খবর দিয়েছিল। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় হত্যা মামলা করা হয়। উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল হাসান জানান, তরুণীর পরিচয় নিশ্চিত হতে সাভার, আশুলিয়া ও উত্তরার বিভিন্ন গার্মেন্টেসে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। কিন্তু কেউ কোন ধরনের তথ্য দিতে পারেনি। অপরদিকে মর্গেও কেউ যোগাযোগ করেনি। এ অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার তরুণীর লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে আঞ্জুমান মুফিদুলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাকে জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তরুণীর পরিচয় জানতে দেশের বিভিন্ন থানায় ম্যাসেজ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু গতকাল পর্যন্ত কোন থানা থেকেও যোগাযোগ করেনি। তার ধারণা, হরতালের মধ্যে দৃর্বৃত্তরা পাশবিক নির্যাতন শেষে অজ্ঞাত স্থানে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। আর ব্যাগে ভরার জন্যই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটা হয় পা দুইটি। আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) বদরুল আলম জানান, গত ৭ এপ্রিল পুরাতন ইপিজেড এলাকার একটি স্কুলের পাশ থেকে তরুণীর দুইটি পা উদ্ধার করা হয়।