দৌলতপুরে ভারতীয় চাষিদের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী রামকৃঞ্চপুর ইউনিয়নের মহম্মদপুর এলাকায় পদ্মা নদীর জেগে ওঠা বাংলাদেশি অংশে ভারতের নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার বাউশমারী গ্রামের প্রায় অর্ধশত মানুষ বিএসএফের সহায়তায় রামকৃঞ্চপুর ১৫৪/৭ এস সীমান্ত পিলার সংলগ্ন মহম্মদপুর চরে জোর করে ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ শুরু করে। এরপর বাংলাদেশি কৃষকরা তাদের বাধা দিতে গেলে উভয় পক্ষ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। বিজিবি ও বিএসএফের সেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজিবি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, উপজেলার রামকৃঞ্চপুর ইউপির মহম্মদপুর গ্রামের কৃষক গাজী বিশ্বাস, ফজলউদ্দিন বিশ্বাস ও বাদল বিশ্বাসের সীমান্ত সংলগ্ন ১০ বিঘা জমিতে শুক্রবার ভারতের নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার বাউশমারী গ্রামের প্রায় অর্ধশত মানুষ জোরপূর্বক ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ শুরু করে। বিষয়টি জানতে পেরে শতাধিক বাংলাদেশি কৃষক তাদের জমি চাষে বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয় এবং চরম উত্তেজনার সুষ্টি হয়। পতাকা বৈঠকে নেতৃত্ব দেন ৩২ বিজিবি‘র কুষ্টিয়া সেক্টরের উপ-অধিনায়ক তারেক মাহমুদ সরকার ও বিএসএফ‘র পক্ষে ৯১ বিএসএফ‘র কমান্ডিং অফিসার কেডি ইয়াদব। ৩২ বিজিবি‘র কুষ্টিয়া সেক্টরের উপ-অধিনায়ক তারেক মাহমুদ সরকার জানান, বৈঠকে উভয় পক্ষ একমত হয় যে, দু’দেশের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোন পক্ষ সেখানে চাষাবাদ করবে না।