টিপস

সামাজিক হোন, ভালো থাকুন

অন্যের সঙ্গে মিশতে না পারলে ভুলেও ভাববেন না, আপনি নিঃসঙ্গতা ভালোবাসেন। কিছু কিছু সময় হয়তো নিঃসঙ্গ থাকা দরকার একজন মানুষের, সব সময় নয়। না জানলে শিখে নিন সামাজিক হওয়ার কায়দাকানুন। একবার মিশতে শিখলেই আর মানুষকে এড়িয়ে যেতে চাইবেন না আপনি। আপনি মিশলে অন্য মানুষও আপনার সঙ্গে মিশবে। কমবে টেনশন। কমবে জীবনযন্ত্রণা। অন্য মানুষের সঙ্গে মিশতে শেখা এক ধরনের সামাজিক দক্ষতা। এ রকম দক্ষতা অর্জন করা যায় সহজেই। আপনার শরীরের ভাষা হলো এই দক্ষতার একটা দিক। আর অন্য দিক সামাজিক আচার-আচরণ।  আপনার চলাফেরা হোক আপনার প্রসন্নতার ভাষা। পরিচিত মানুষকে দেখে হাসতে শিখুন। বলতে শিখুন ‘সালাম’, ‘নমস্কার’, ‘গুড মর্নিং’, ‘সুপ্রভাত’, ‘ভালো থাকুন’। অন্যের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় বা সৌজন্যমূলক কথাবার্তা বলতে শেখা সামাজিক দক্ষতার বড় একটা দিক। ভেবে দেখুন, বাইরে বেরিয়ে কেউ হাসিমুখে ‘সুপ্রভাত’ বলছে শুনলে কতটা ভালো লাগে আপনার, কত তাড়াতাড়ি কেটে যায় সব জড়তা। সহজেই আপনিও অন্য মানুষের মনে পৌঁছে দিতে পারেন এ রকম ভালো লাগার বোধ।  আপনার চলাফেরা, আপনার আচরণ ব্যবহার, আপনার পোশাক পরিচ্ছদ—এসবই আপনার ব্যক্তিত্বের একেকটা অংশ। দৃঢ় অথচ প্রসন্ন, শক্ত অথচ মোলায়েম ব্যক্তিত্বের মানুষকে সবাই পছন্দ করে।  অন্যের কথা শুনতে শিখুন মন দিয়ে। নিজের কথা বলতে শিখুন সংক্ষেপে গুছিয়ে। ভালো কথা বলতে পারা একটা শিল্প। এ রকম শিল্পে দক্ষ হলে অন্যরা আপনাকে শুধু ভালোবাসবে না, সম্মানও করবে।  শুধু নিজের কথা বলতে থাকা মানুষকে কেউ পছন্দ করে না। অন্যের কথা গভীরভাবে শোনাও একটা শিল্প। এই শিল্পে রপ্ত হোন।  অন্যের কথা শোনা আর নিজের কথা বলার মধ্যে কোনো মারামারি নেই। কথা বলা আর কথা শোনার সঠিক ছন্দ অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ায়, কমায় মনের চাপ। কমায় টেনশন। এই ছন্দে অভ্যস্ত হতে শিখুন। একদিনে নয়, ধীরে ধীরে।