চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী হাফিজুর রহমান হাফিজ ডাকাত দলের কবলে পড়েছিলেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া-সন্তোষপুর সড়কের গুপ্তপীরের মাজারের সন্নিকটে পুলিশ বক্সের কাছে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
ডাকাতদল এ সময় ওই ঘণ্টাব্যাপি তাণ্ডব চালিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়িসহ ৫টি মিশুক, ৩টি ট্রাক ও ৫টি আলমসাধু আটকিয়ে তাদের কাছ থেকে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক টাকাসহ ৮-৯ টি মোবাইল সেট লুট করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাতেই চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
আরও পড়ুন: তিন বছরে মুসলিমদের ৩১ মসজিদ গুঁড়িয়েছে চীন
জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী হাফিজুর রহমান জানান, তিনি উপজেলার শাহপুর বাজার মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করার পর রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলা শহরের বাড়িতে ফিরছিলেন। রাত সাড়ে ১০ টার দিকে তিনি আন্দুলবাড়িয়া-সন্তোষপুর সড়কের পুলিশবক্সের কাছে পৌছুলে ১০-১২ জনের মুখোশধারী ডাকাতদল রাস্তায় গাছ ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। দেশীয় অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত ডাকাত দলের সদস্যরা তার কাছ থেকে ২২ হাজার টাকা ও দুইটি মোবাইল ফোন সেট ও তার গাড়ি চালকের নিকট থেকে দেড় হাজার টাকাসহ ১টি মোবাইল ফোন সেট লুট করে নেয়। এসময় তার ব্যবহৃত ব্যক্তিগত গাড়িটি ভাংচুর করে। পরে ডাকাত দলের সদস্যরা আরো ৫টি মিশুক, ৩টি ট্রাক ও ৫টি আলমসাধু আটকিয়ে তাদের কাছ থেকে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক টাকাসহ ৮-৯ টি মোবাইল সেট লুট করে।
উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী হাফিজুর রহমান অভিযোগ পুলিশবক্সে কোনো পুলিশ না থাকার কারণেই ডাকাতির এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে খবর পেয়ে রাতেই চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেল) আবু রাসেল, জীবননগর থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ গনি মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ওসি শেখ গনি মিয়া বলেন, খবর পাওয়ার পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাটি ডাকাতি-না দুর্বুত্তদের পরিকল্পিত হামলা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এমআরএম