অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সিরিজ শ্রীলংকার

হাতের মুঠোয় পাওয়া সিরিজটি হাতছাড়া হয়ে গেল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের। সিরিজ নির্ধারণী পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে শ্রীলংকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে মাত্র ১৮৫ রানে অলআউট করে দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু জবাব দিতে নেমে নিজেরাও অলআউট হয়ে গেল ১২৩ রানে। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের বাজে আউটের কারণে ম্যাচে কখনোই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। শ্রীলংকান পেসারদের দাপটে প্রথম ১০ ওভারে ৩৭ রানে তিন উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ৬২ রানে জয় পেয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ জিতল শ্রীলংকা। গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ৭৩ রানে সফরকারীরা চার উইকেট হারায় রিফাত প্রধানের বোলিংয়ের কারণে। প্রথম তিন উইকেট এই বোলারের। পঞ্চম উইকেটে ৪৮ রানের জুটি শ্রীলংকা ফের ঘুরে দাঁড়ানোর রসদ পায়। ম্যাচ সেরা রোশন অনুরুদ্ধ রানআউট না হলে হয়তো দলের স্কোর দুশ ছুঁতে পারত। ৭৮ বল খেলে ৫১ রানে বিদায় নেন, দলও গুটিয়ে যায় ১৮৫ রানে। টার্গেট ছোট, কিন্তু ইনিংসের প্রথম থেকে লংকান যুব পেসাররা চেপে ধরলে শুরু থেকে রানের গড় বাড়তে থাকে বাংলাদেশের। মেহেদী হাসান ৩৭ বলে ৩৭ রান ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানরা কেউ দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারেননি। অফ স্পিনার রমেশ মেন্ডিসকে সমীহ করতে গিয়েই শেষের ব্যাটসম্যানরা উইকেট দিয়ে আসেন। মেন্ডিস ২৪ রানে তিন উইকেট নেন। পাঁচ ম্যাচ একদিনের সিরিজ ছাড়াও দুটি চারদিনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুটি ম্যাচই ড্র হয়েছে। সংক্ষিপ্ত স্কোর: শ্রীলংকা অনূর্ধ্ব-১৯ দল- ৪৬.৪ ওভারে ১৮৫ (অনুরুদ্ধ ৫১, ভানুকাট ৩৭, মেন্ডিস অপ: ১৭, রিফাত ৩/২৯, মেহেদী ২/২৪)। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল- ৩৬ ওভারে ১২৩/১০ (মেহেদী ৩৭, ফেরদৌস অপ: ১৭, মোসাদ্দেক ১৮, মেন্ডিস ৩/২৪, ফার্নান্ডো ২/১৭)। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: রোশন অনুরুদ্ধ (শ্রীলংকা অনূর্ধ্ব-১৯)। ফল: শ্রীলংকা জয়ী ৬২ রানে। সিরিজ: ৩-২ ব্যবধানে শ্রীলংকা অনূর্ধ্ব-১৯ দল জয়ী।