শুধু পরীক্ষার আগ মুহূর্তেই পরীক্ষা প্রস্তুতি নয়
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০১৩, ১৯:২৮
মো: মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া,
অধ্যক্ষ, উত্তরা হাই স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা
শুধু পরীক্ষার আগ মুহূর্তেই পরীক্ষা প্রস্তুতি নয়, মাঝেমধ্যে নিজেই নিজের পরীক্ষা নিবে। সময় ধরে নিজেই মডেল টেস্ট নিতে হবে। এরপর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নিজেই নিজের পরীক্ষাপত্র মূল্যায়ন করবে এবং সেমতে ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো আলাদাভাবে নোট করে বার বার পড়বে। এতে নিজেই উপলব্ধি করতে পারবে যে, পরীক্ষার জন্য তোমার প্রস্তুতি ভালো। এতে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। আর এই আত্মবিশ্বাসই তোমাকে শতভাগ সঠিক উত্তর দিতে ভূমিকা রাখবে। আর পরীক্ষার পূর্ব মুহূর্তে চূড়ান্ত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কিছুটা পরিকল্পিতভাবে এগুতে হবে। যেমন, প্রথমে রিভিশন রুটিন তৈরী করে সে অনুযায়ী অপেক্ষাকৃত দূর্বল চ্যাপ্টার গুলোর ঝালাই ও সবগুলো আগাগোড়া পড়তে হবে। দ্বিতীয়ত: বেশি করে বানান রীতি চর্চা করতে হবে। বানান ভুল হলে নিরীক্ষক সাধারণত ক্ষুব্ধ হন এবং নাম্বার সীমিত দিয়ে থাকেন।
প্রয়োজন কাউন্সিলিং
পরীক্ষা চলাকালিন যেকোন পরিস্থিতিতে পরীক্ষার্থীরা যাতে নিজেদের সামাল দিতে পারে সেজন্য শিক্ষক কিংবা অভিভাবকদের উচিত সম্ভাব্য পরিস্থিতি অনুযায়ী তার সমাধান সংক্রান্ত কাউন্সিলিং প্রদান করা। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীই আছে, যারা গোল্ডেন এ প্রাপ্তির ব্যপারে মোটামোটি নিশ্চিত, তারা প্রশ্ন হাতে নিয়ে যদি দেখে যে প্রথম প্রশ্নটিই আনকমন, সেক্ষেত্রে ঘটতে পারে অনেক অঘটনই! তাই সেসব মুহূর্ত যাতে তারা সুন্দরভাবে মোকাবেলা করতে পারে সেজন্য তাদেরকে বুঝাতে হবে। ছোট বিষয়কেও গুরুত্ব দিতে হবে ছোট ছোট বিষয়গুলোই ক্ষেত্র বিশেষ বড় বিপত্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন: সেট কোড লিখতে ভুল করা ও অবজেকটিভ এর উত্তর ভালো জানা সত্ত্বেও ক্ষেত্র বিশেষ সব জানি বলে কম গুরুত্ব দেয়া বা নার্ভাসনেস এর কারণেও অনেকে ভুল করে ফেলে। অনুরুপ সহজ বিষয়কে কম গুরুত্বদিয়ে প্রস্তুতি খারাপ করা যাবে না। সকল বিষয়েই সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। বিশেষকরে বাসায় বেশি বেশি লেখার চর্চা করতে হবে। আর ঘড়ি ধরে লেখার অভ্যাস গড়তে হবে। এই অভ্যাস বা চর্চা সবসময়ই রাখা উচিত। আর পেছনের পরীক্ষা খারাপ হয়েছে ভেবে মন খারাপ করা যাবে না। এটা পরবর্তী পরীক্ষার উপর প্রভাব ফেলবে।