জেসি মার্টিন
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০১৩, ১৯:৫৯
তার জন্ম জার্মানির মিউনিখে। তবে তার বেড়ে ওঠা অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে। ১৯৮১ সালের ২৬ আগস্ট পৃথিবীর বুকে আসেন। ২৯ বছর বয়সী এই নাবিক একাকী সাগর ভ্রমণের জন্য বিখ্যাত। তরুণ এই অস্ট্রেলিয়ান, বেশ কিছুদিন আগে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ‘টিন সেইলর রেসকিউ’ নামক এক অভিযানে অংশ নিয়ে। অভিযানে মোট ১১ জন সদস্য ছিল, যারা ২০০০ নটিক্যাল মাইল দূরে গিয়ে এক টিনেজ মেয়েকে উদ্ধার করে ফিরে আসে। তারা জানত না এই অভিযানে কত সময় লাগতে পারে অথবা কত খরচ হতে পারে। প্রাণ বাঁচাবার তাগিদেই এ কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান তরুণ নাবিক জেসি মার্টিন। ৩০ বছর বয়সী এই নাবিকের অভিজ্ঞতার কথা জেনে নেওয়া যাক। জেসি মার্টিন এমন এক নাবিকের নাম, যিনি ১৯৯৯ সালের প্রতীক হিসেবে ছিলেন। তিনি সুদক্ষ নেভিগেটর (দিকনির্দেশক) হিসেবে ছিলেন খ্যাত, এবং একাকী নৌ-ভ্রমণে বের হতে পছন্দ করতেন। তিনি অদম্য ছিলেন। তার অনুপ্রেরণার মূলে ছিল ডেভিড ডিক নামের এক নাবিক, যিনি তার সময়ে ছিলেন অত্যন্ত সুদক্ষ নাবিক। তিনি সারকামনেভিগেশন অর্জন করেছিলেন মাত্র ২৪ দিনে। অবশ্য তার সাথে সহকারী ছিল সেসময়। মার্টিন ও তার সব নৌ-ভ্রমণের আনন্দ-ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা বই আকারে বের হয়েছে ‘লায়নহার্ট-মিসট্রেইল’ নামে। এই বইয়ে তার ১১ মাসের অভিজ্ঞতার লোমহর্ষক বর্ণনা স্থান পেয়েছে।২০০৫ সালের দিকে তিনি একটা মিডিয়া প্রোডাকশন কোম্পানি খুলেছেন। এই প্রোডাকশন হাউজ থেকে নৌ-ভ্রমণ বিষয়ক বেশ কিছু বইও বের করা হয়েছে। ২০১১ সালে তার এ প্রোডাকশন হাউজ থেকে ৫ জন হারিয়ে যাওয়া নাবিক নিয়ে একটি ডকুমেন্টরি প্রকাশ করা হয়েছে। এবং এই ডকুমেন্টরি থেকে যে অর্থ পাওয়া গেছে তার সম্পূর্ণটাই দান করা হয়েছে নিখোঁজ নাবিকদের পরিবারকে।