তারুণ্যের অন্যলোক

তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত প্রকাশে সাহায্য নিতে পারেন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের। তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে লগ ইন করুন www . facebook . com / torun.kontho প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ প ড়া র ব ই সেই কুয়াশা লেখক :কাজী আনোয়ার হোসেন বইয়ের কথা :পিতৃ প্রদত্ত নাম মনসুর আলী। সবাই চেনে অন্য নামে, কুয়াশা, এক বঙ্গ সন্তান। প্রতিভাবান, বৈজ্ঞানিক, তাক লাগানো উদ্ভাবন তার। সংগীতশিল্পীও তিনি, সরোদ যখন বাজায়, অপূর্ব সুরে চমত্কৃত হয় সবাই। বিজ্ঞানের বহুমুখী প্রতিভা। মানব কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কুয়াশার এক্সপেরিমেন্ট আর কাজের ধরন অন্যসব বিজ্ঞানীর চেয়ে আলাদা। কেন পড়বেন মাসুদ রানা যেমন একজন কিংবদন্তি ঠিক তেমনিভাবে কুয়াশাও। দুই মহা নায়ক পাশাপাশি থাকার দরুণ একজনের কাছে অন্যজন কিছুটা ম্লান হয়ে গেলেও স্ব-স্ব কর্মস্থানে তারা বারবার ঝলসে উঠেছে। দে খা র ছ বি খেলাঘর পরিচালক :মোরশেদুল ইসলাম ছবির কথা :১৯৭১ সাল। বাংলদেশের প্রত্যন্ত একটি গ্রাম। ইয়াকুব আর মুকুল দুই বন্ধু। ইয়াকুব ঢাকা থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেছে, এখন গ্রামের কলেজে শিক্ষকতা করছে। মুকুল গ্রামেই পড়াশোনা করে এখন গ্রামেই শিক্ষকের পেশা বেছে নিয়েছে। ইয়াকুব একটু ভীরু প্রকৃতির, দেশের প্রতি ভালোবাসার কোনো অভাব না থাকলেও ব্যক্তিগত দ্বিধা ও সাহসের অভাবে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়া ওর পক্ষে সম্ভব হয়নি। কেন দেখবেন চারদিকে বর্ষার জল, গাছপালা আর বনজঙ্গলে ঘেরা বহুকালের পুরোনো, জীর্ণ বাড়িতে এক তরুণ-তরুণীর হূদয়ের রক্তক্ষরণ আর ভালোবাসার গল্প রচিত হয় দু’দিনের খেলাঘরে। ত থ্য ক ণি কা বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে দেশ-বিদেশের খবর শোনা ও দেখা প্রযুক্তির উন্নতির কারণেই সম্ভব হয়েছে। আর সেই টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের নাম টেলিভিশন। ১৮৬২ সালে তারের মাধ্যমে প্রথম স্থির ছবি পাঠানো সম্ভব হয়। এই পদ্ধতির আবিষ্কার করেন অ্যাডোবি গিয়োভানা ক্যাসেলি। ১৮৭৩ সালে বিজ্ঞানী মে এবং স্মিথ ইলেকট্রনিক সিগনালের মধ্যে ছবি পাঠানোর পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ১৮৭৬ সালে জর্জ ক্যারে প্রথম পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন পদ্ধতির চিন্তাভাবনা করেছিলেন। ১৮৮৪ সালে পল নিপকো তারের মাধ্যমে মেটাল ডিস্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৮ লাইন রেজ্যুলেশনসহ ছবি পাঠাতে পেরেছিলেন। এরপর আরো অনেক গল্প আছে। ১৯৪৪ সালে তিনি বিশ্বের প্রথম পূর্ণ ইলেকট্রনিক রঙিন টেলিভিশনের প্রদর্শন করতে সক্ষম হন। কে না কা টা হাতঘড়ি ঘড়ি নিয়ে তরুণ প্রজন্মের উত্সাহের যেন অন্ত নেই। এ ক্ষেত্রে বড় ডায়ালের হাতঘড়ি পছন্দের শীর্ষে। ফ্যাশন আর প্রয়োজন—দুই মিলিয়ে মানানসই হাতঘড়ির দিকেই আগ্রহ তরুণদের। মোটা চেইন আর বড় ডায়াল, এমন ঘড়িই তরুণদের পছন্দ, তবে টিনএজাররা স্পোর্টস ঘড়ি পরতেই বেশি পছন্দ করে। ক্যাজুয়াল লুকের ক্ষেত্রে চেইন আর বড় ডায়ালের ঘড়িই বেশি জনপ্রিয়। আর ফরমাল লুকের ক্ষেত্রে ছোট ডায়ালের চামড়া বা চেইনওয়ালা ঘড়িই বেশি মানিয়ে যায়। তবে যেমন ঘড়িই হাতে দেওয়া হোক না কেন, তা নিজের ব্যক্তিত্ব বা পরিবেশের সঙ্গে কতটা মানানসই, তা বিবেচনা করতে হবে সবার আগে। রাজধানীর নিউমার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, বায়তুল মোকাররমসহ বিভিন্ন শপিং কমপ্লেক্সে হাতঘড়ির দোকান রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন গিফট শপে পাওয়া যাবে ফ্যাশনেবল ঘড়ি।