মনপুরায় ১৫টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ

ভোলার মনপুরা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণার পরেও ব্যবহার হচ্ছে। বাতাস হলে রড বের হওয়া ভবনটি দুলতে থাকে। ওই সময় সকলে কাজ ফেলে নিচে নেমে আসে। একদিন বাইরে খোলা আকাশের নিচে অফিস করেছেন। কথাগুলো বলছিলেন মনপুরা উপজেলার বিআরডিবির চেয়ারম্যান মোঃ নিজাম উদ্দিন মিয়া। তিনি আরও জানান, তারা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভবনটিতে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের রক্ষার জন্য কেউ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। শুধু পল্লী উন্নয়ন ভবন নয়, সরেজমিন দেখা যায়, মনপুরা উপজেলার আদালত ভবন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের দ্বিতল ভবন, কারিতাস বাংলাদেশের রেস্টহাউজ ভবন, উপজেলা পরিষদের কয়েকটি আবাসিক ভবন, বন বিভাগের ৫টি ভবনসহ ১৫টি ভবনের পলেস্তারা-ঢালাই খসে রড বেড়িয়ে পড়ছে। অফিস কর্মর্কতা, কর্মচারী ও এলাকার সচেতন মহলের দাবি, এ ভবনগুলো ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণ করা হোক! নইলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মনপুর উপজেলা প্রকৌশলী তৈয়বুল হামিদ চৌধুরী বলেন, উপজেলা নির্বাহীর নির্দেশে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চেক করতে শুরু করেছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকী বলেন, ইতিমধ্যে পল্লী উন্নয়ন ভবনে দাপ্তরিক কাজ বন্ধে লিখিত চিঠি দেয়া হয়েছে। এ ভবনটির মতো আরও যে ঝুিঁকপূর্ণ ভবন রয়েছে সেগুলোকে চিহ্নিত করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ওই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা পেলে আমরা প্রত্যেক বিভাগের মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠাবো।