৫ জন ভিনদেশি নেভাল ইঞ্জিনিয়ার

নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং এমন একটি প্রকৌশল বিদ্যা যার সাথে জাহাজ, কিংবা যেকোনো নৌযান সম্পর্কিত। বিশ্বের অনেক মেধাবী তরুণই এই পেশায় জড়িত। যাদের অবদান বিশ্বের নৌশিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাদেরই কয়েকজনকে নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম জে ম স মটর ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। হঠাত্ করেই সবাইকে অবাক করে দিয়ে ঘোষণা দিলেন তিনি আর এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করবেন না। তার বাবা-মাও ছেলের সিদ্ধান্তে বেশ অবাক। আরও অবাক হলেন যখন জানতে পারলেন ছেলে নেভাল নিয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী। ব্যাপারটা অবাক করার মতোই কারণ তিনি কখনই এই বিষয় নিয়ে আগ্রহী ছিলেন না। এ আগ্রহ মূলত সৃষ্টি হয় তার তিন বন্ধুর কারণে। তাদের কাছ থেকে জানতে পারেন এই বিদ্যার কথা। শেখেন আরও অনেক কিছুই। এরপর তিনি ও তার তিন বন্ধু মিলে শুরু করেন নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম। অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজ তাদের ফার্মটি সফলতার মুখ দেখেছে। জি ন সে ব্যা স্টি য়া ন তরুণ নেভাল অফিসার হিসেবে জিন বেশ জনপ্রিয়। তবে তার কাজের শুরুটি এমন সুখকর ছিল না। এর আরও একটি কারণ হলো, খুব ছোটবেলা থেকেই নানা ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। তবে তিনি ব্যাপারটিকে খুব সহজ করে দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, কঠোর পরিশ্রমের বিনিময়ে পেয়েছেন বলেই এই সফলতা তার কাছে অনেক মূল্যবান। তিনি নিজের মতো করে কাজ করতে পছন্দ করেন। যেকোনো সমস্যার সমাধানটি আরও সহজ করে তোলার একটি পন্থা সব সময়ই বের করার চেষ্টা করেন। তিনি সাহসী নেভাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ন্যাশনাল পুরস্কার জিতেছিলেন। জু লি ই য় ং জুলির বয়স ৩০ বছর। তিনি একজন নেভাল ইঞ্জিনিয়ার। তিনি বেশ গর্ব বোধ করেন ব্যাপারটি নিয়ে। তরুণ নেভাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তার পরিচিতিও আছে। স্বামী ও সন্তান নিয়ে বেশ সুখেই কাটছে তার জীবন। বেশ ভালোই চলছে তাদের। মেরিনা নামের একটি ইউনিভার্সিটি থেকে জুলি পড়াশোনার সম্পন্ন করেছেন। এরপর বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। কিন্তু খুব বেশিদিন তার সেখানে মন টেকেনি। তিনি নিজের অর্জিত বিদ্যা কাজে লাগাতে যোগ দেন জাহাজে এবং খুব দ্রুতই নিজেকে প্রমাণ করেন। তিনি বলেন, ‘সাগরই আমাকে সবচেয়ে বেশি খুশি করতে পারে।’ মা ই কে ল নেভাল অফিসারের সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করছেন তিনি। তার মূল কাজ হলো অ্যাসিট্যান্সি। তবে এই পেশায় তিনি এ কাজ করার আগে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে কাজ করতেন। তার বাবার একটি কোম্পানিতে কাজ করতেন তিনি। খুব কম বয়সেই তিনি নেভাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। এরপর যোগ দেন এই পেশায়। এই খাতে তার অবদান উল্লেখ করার মতো। তবে তিনি খুব সাধারণ জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন। বেশিরভাগ সময় তার কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তিনি। বর্তমানে তিনি একজন নেভাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বেশ ভালোই নাম কামিয়েছেন। র সে ন বা র্ট ই য় ং মাত্র ৩৫ বছর বয়সেই নেভাল ইঞ্জিনিয়ার পুরস্কার জেতেন তিনি। তিনি অরিগন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনার পাঠ শেষ করেন। তিনি নেভাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন খুব অল্প বয়সেই। তিনি খুব হাস্যরস প্রিয় মানুষ। সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে পছন্দ করেন। মেরিন বিষয়টি খুব মজার একটা ব্যাপার তার কাছে। তিনি খুব ছোটবেলা থেকেই এই বিষয় নিয়ে পড়তে আগ্রহী ছিলেন, পাশাপাশি চিন্তা করতেন একদিন এই সেক্টরে নাম করবেন। বর্তমানে তিনি ‘ইয়ং প্রফেশনাল প্ল্যাটফর্ম’-এ কাজ করছেন। পেশাগত ব্যস্ততার বাইরেও নানা জনকল্যাণমুখী কাজের সাথেও তিনি জড়িত। তিনি তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা হিসেবে বলেন, এই পেশা নিয়েই বহুদূর যেতে চান তিনি।