রন্ধনশিল্পী বেকহ্যাম

বেকহ্যাম ইংল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম দীর্ঘমেয়াদি অধিনায়ক। ২০০৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ফ্রি কিকে দেওয়া গোলের সুবাদে বেকহ্যাম ফুটবলের দুইটি একচেটিয়া ক্লাবের সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেন—একমাত্র ইংরেজ এবং যেকোনো জাতীয়তায় একুশতম খেলোয়াড় যিনি তিনটি বিশ্বকাপে গোল করেছেন এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের পঞ্চম খেলোয়াড় যিনি দুইটি ফ্রি কিকে দেওয়া গোলের মালিক। সম্প্রতি তার সম্পর্কে একটি খবর শোনা গেছে, তিনি নাকি তার স্ত্রীর জন্য ধীরে ধীরে হয়ে উঠছেন একজন পাকা রন্ধনশিল্পী। ব্যাপারটা অবাক করার মতোই। কারণ মাঠের রাজা যদি হঠাত্ করে হয়ে ওঠেন রান্নাঘরের শিল্পী, তাহলে কেমন হয়, তা জানার আগ্রহ কাজ করে সবার মধ্যেই। বিয়ের এক যুগ পর নিজেদের ভালোবাসা যেন নতুন করে খুঁজে পেয়েছেন তারকা দম্পতি ডেভিড এবং ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম। এর পেছনের কারণটি বেকহ্যাম পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হারপার। নিজেদের প্রথম কন্যা সন্তানের আগমনে স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার প্রতি যেন একটু বেশিই যত্নশীল হয়ে পড়েছেন এই তারকা ফুটবলার। রোমান্সের পরশ বুলিয়ে নিজেই রেঁধে খাওয়াচ্ছেন স্ত্রীকে। তাদের ঘরে আগে থেকেই আছে ১২, ৯ ও ৬ বছর বয়সী তিন পুত্র ব্রুকলিন, রোমিও এবং ক্রুজ। কিন্তু তারপরেও একটি ছোট্ট সুন্দর পুতুলের মতো মেয়ের আকাঙ্ক্ষা এই দম্পতির অনেকদিনের। তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ করেই এ বছরের জুলাই মাসে জন্ম নেয় হারপার বেকহ্যাম-পশ বেকের প্রথম কন্যাসন্তান। ছোট্ট বোনটিকে আনন্দের সঙ্গেই গ্রহণ করেছে তার তিন ভাই। আর বাবা ডেভিডের তো আনন্দের সীমাই নেই। হারপারের জন্মের পর থেকেই নিজের কন্যা এবং স্ত্রীর প্রতি অনেক বেশি যত্নশীল হয়ে পড়েছেন বেকহ্যাম, ঠিক যেমনটি ছিলেন বিয়ের প্রথম বছরগুলোতে। বর্তমানে স্ত্রী ভিক্টোরিয়াকে নিয়মিতই নিজ হাতে রেঁধে খাওয়াচ্ছেন। এমনকি খাবারের আয়োজনটাও করছেন রোমান্টিক ডিনারের আবহে। মোমবাতি জ্বালিয়ে, ফুলদানিতে ফুল রেখে, রোমান্টিক গান ছেড়ে তাদের খাবার টেবিলটিকে রোমান্সের আবহে পরিপূর্ণ করে দিচ্ছেন বেকহ্যাম।