এইচএসসি’র জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র
অলোক কুমার মিস্ত্রী বন্যপ্রাণী গবেষক (প্রভাষক) জীববিজ্ঞান বিভাগ
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০১৩, ১৮:০৯
(প্রাণিবিজ্ঞান)
প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ আমি তোমাদের জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের অধ্যায় ঃ ১ অবতরণিকা (Introduction) - থেকে সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর উপস্থাপন করা হলো
সৃজনশীল প্রশ্ন ঃ নিচের চিত্রটি দেখ এবং এর আলোকে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
(ক) পাশের চিত্রটি কোন
বিজ্ঞানীর ? ১
(খ) তাকে কেন প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয় ? ২
(গ) বিশুদ্ধ প্রাণিবিজ্ঞানের তিনটি শাখার নাম উল্লেখপূর্বক বর্ণনা দাও। ৩
(ঘ) “পরিবেশের ভারসাম্যতা রক্ষায় প্রাণিবিজ্ঞান পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম”- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর। ৪
সৃজনশীল প্রশ্নোত্তরঃ
(ক) উত্তর ঃ উদ্দীপকের চিত্রটি গ্রীক দার্শনিক ও প্রাণিবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটল (Aristotle, 384-322 খ্রীঃ পূঃ) এর।
(খ) উত্তর ঃ অ্যারিস্টটল (Aristotle) সর্বপ্রথম প্রাণিবিজ্ঞানকে বিজ্ঞানের একটি শাখা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন। তিনিই প্রথম তার প্রকাশিত গ্রন্থে প্রাণী ও উদ্ভিদের মূল গঠনের সামাঞ্জস্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জীবের উত্পত্তি ও পরিণতি বিষয়ের উপর দীর্ঘদিন গবেষণা করেন। তার গবেষণালব্ধ প্রাণীসম্পর্কিত Historia animalium নামক জ্ঞানগর্ভ ও তথ্যবহুল পুস্তকটি বিজ্ঞানী মহলে সমাদৃত হয়। তাছাড়া তিনি On the Reproduction of Animals সহ আরও কয়েকখানা পুস্তক রচনা করেন। আর এসব কারণে এই গ্রীক দার্শনিক ও বিজ্ঞানীকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
(গ) উত্তর ঃ বিশুদ্ধ প্রাণিবিজ্ঞানের তিনটি উল্লেখযোগ্য শাখা হলো -
১.শরীরবিদ্যা(Physiology)২.বাস্তুবিদ্যা (Ecology)
৩. জীনতত্ত্ব বা বংশগতিবিদ্যা (Genetics)
১. শরীরবিদ্যা (Physiology) ঃ প্রাণিবিজ্ঞানের এ শাখায় প্রাণিদেহের পুষ্টি , শ্বসন , ক্ষরণ, রেচন ও জনন প্রভৃতি শারীরবৃত্তিক কার্যাবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়।
২. বাস্তুবিদ্যা (Ecology) ঃ প্রানিবিজ্ঞানের এ শাখায় প্রাণিদের অবস্থান, বাসস্থান ও পরিবেশের সাথে সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
৩. জীনতত্ত্ব বা বংশগতিবিদ্যা (Genetics) ঃ প্রাণিবিজ্ঞানের এ শাখায় প্রাণীর বংশগত গুণাবলী কিভাবে এক বংশ হতে অন্য বংশে সঞ্চালিত হয়, তার রীতিনীতি, পরিব্যক্তি, প্রকরণ প্রভৃতি সৃষ্টির কারণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। ঘ এর উত্তর আগামীকাল