বাংলাদেশের বিরুদ্ধে
খেলা হচ্ছে না ভেটোরির
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০১৩, ২২:০৬
ড্যানিয়েল ভেট্টোরি যতো বড় তারকা, বাংলাদেশের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্স তার চেয়েও বড়। বাংলাদেশের একাধিক হাতের মুঠোর জয় কেড়ে নিয়ে গেছেন এই ভেট্টোরি। তবে এবার আর বাংলাদেশকে এই বাহাতি স্পিনারকে সামলাতে হচ্ছে না।
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সঙ্গে এ বছর নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে রাজি নন দলের ইনজুরি আক্রান্ত বাহাতি স্পিনার ড্যানিয়েল ভেট্টোরি। কারণ, ইনজুরির ধকল কাটিয়ে কবে মাঠে ফিরতে পারবেন সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নন তিনি। ফলে ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশের বিপক্ষে পরবর্তী সিরিজে মাঠে নামা হচ্ছে না তার।
ইনজুরির সাথে লড়াই শেষে মাঠে ফিরেছিলেন মাত্র গত মাসেই। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছিল গত প্রায় আড়াই বছরে তার প্রথম ওয়ানডে। এরপরে খেলেন গ্রুপ পর্বে দলের পরবর্তী দুটি ম্যাচেও। তবে এরপরে আবার সেই ইনজুরি অস্ত্রোপচার। এবার কবে মাঠে ফিরতে পারবেন সে নিয়ে সন্দিহান ভেট্টোরি নিজেও। তাই বোর্ডের সঙ্গে কেন্দ্রিয় চুক্তিতেও আপত্তি ১১২ টেস্টে ৩৬০ উইকেট নেয়া ভেট্টোরির। কেন চুক্তি করতে রাজি নন তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ৩৪ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে আমার সর্বশেষ অস্ত্রোপচার থেকে সেরে ওঠার বিষয়েই চিন্তিত। মাঠে ফেরার জন্য আমাকে পরবর্তী ছয় মাসে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। এ সময়ে আমার শুধু পুরোপুরি সেড়ে ওঠার ব্যাপারেই ভাবতে হবে। আবার কবে খেলতে পারবো সে বিষয়ে এতখানি সন্দেহ নিয়ে এবছর চুক্তি স্বাক্ষর করাটা আমার কাছে যৌক্তিক মনে হচ্ছে না। এখন আমাকে পুনর্বাসন নিয়েই ভাবতে হবে।’
আগামী ছয় মাসে মাঠে ফিরতে না পারলে আগামী অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বাংলাদেশে দলের অ্যাওয়ে সিরিজেও খেলতে পারছেন না ভেট্টোরি। বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এটা ইতিবাচকই বটে। কারণ দ্বিপক্ষীয় সিরিজগুলোতে মুশফিক-সাকিবদের বিরুদ্ধে ভেট্টোরির রেকর্ডটা আসলেই দুর্দান্ত। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত নয়টি টেস্ট খেলে তিনি শিকার করেছেন ৫১ উইকেট। ব্যাট হাতেও তার ফর্ম কোন স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যানের চেয়ে খারাপ নয়। ৪০.৬২ গড়ে ৩২৫ রান করেছেন তিনি। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১৭টি ওয়ানডেতেও মাঠে নেমে শিকার করেছেন ৫১ উইকেট।
কবে মাঠে ফিরতে পারবেন সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে না পারলেন ভেট্টোরির বিশ্বাস এর জন্য খুব বেশিদিন অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না তাকে। তিনি বলেন, ‘আমি আসলেই আশাবাদী যে সর্বশেষ অস্ত্রোপচারটা কাজে দেবে। আমি আমার চিকিত্সকের সাথে কথা বলেছি। সবকিছু ঠিকঠাক হওয়ার ব্যাপারে সে খুবই আত্মবিশ্বাসী।’