ফ্যাশনে ঈদ প্রস্তুতি

ঈদ আসছে আর তাই ঈদকে ঘিরে দেশের প্রতিটি ফ্যাশন হাউসই আয়োজন করেছে ভিন্ন ভিন্ন ঈদ ফ্যাশন। এবারের ঈদে শাড়ি, কামিজের পাশাপাশি কুর্তি, ফতুয়া এগুলো প্রাধান্য পাবে। পুরুষদের পাঞ্জাবিতেও এসেছে কিছুটা ভিন্নতা। দেশের কিছু নামকরা ফ্যাশন হাউসের ঈদ প্রস্তুতি নিয়েই আমাদের এই বিশেষ আয়োজন— ড্রেসলাইন বর্ষার এই মৌসুমে ফ্যাশন হাউস ড্রেসলাইন তাদের অগণিত ক্রেতাদের প্রতি লক্ষ রেখে নতুন যে পোশাক নির্বাচন করেছে তার নাম ‘মেঘছায়া’। লং এই থ্রি পিসটিতে বিভিন্ন ধরনের এমব্রয়ডারির কাজ করা হয়েছে। থ্রি পিসটি পাওয়া যাবে বসুন্ধরা মার্কেটের দোতলায় ড্রেসলাইনের নিজস্ব শো-রুমসহ দেশের বিভিন্ন আউটলেটে। এবি ফ্যাশন পোশাকআশাকে নিত্যনতুন ট্রেন্ড ও মডিফিকেশনের সংযোজনের পারিভাষিক নামই হলো ফ্যাশন। তাই এবারের ঈদ-বাজারে ফ্লোরাল ঘের কামিজের চলতি ধারা নিয়েই অধিকাংশ পোশাক এনেছে এবি ফ্যাশন। বেশ লম্বা ত্রিভূজ কাট, বেশি ঘের, আনার কলি কাট বা কলিদার কামিজই থাকছে লং কামিজের কাটিংয়ে। কামিজের কাজের ক্ষেত্রে বুকের কাছে বড় ইয়োক বা কোনাকুনি নকশাই প্রাধান্য পাচ্ছে রিবন পোশাকের পাশাপাশি। সাথে থাকছে চুড়িদার বা ঢোলা পায়জামা। এ ছাড়াও ঈদ কালেকশনে আছে ছোটদের পোশাক আর বড়দের পাঞ্জাবি। ট্রেন্ডি এসব ঈদ কালেকশন পাওয়া যাবে ঢাকার ২৮ মিরপুর গোল্ডেন গেইট শপিং সেন্টারে। অঞ্জন’সের ঈদ প্রস্তুতি সময়োপযোগী আরামদায়ক পোশাকের দিকে নজর সবার। সাথে যোগ হয়েছে ঈদের উত্সব আবহ। ট্রেন্ডকে সঙ্গী করে তাই ঈদের আয়োজন নিয়ে আগাম প্রস্তুত ফ্যাশন ব্র্যান্ড অঞ্জন’স। মোটিফ, প্যাটার্ন, ডিজাইন বৈচিত্র্য থাকছে উত্সবের রঙকে কেন্দ্র করে। বাড়ির কনিষ্ঠ সদস্য থেকে পরিবার প্রধান বাদ যাবে না কেউই ঈদ পোশাকের বর্ণিলতা থেকে। এবার ফ্যাশন হান্টারদের জন্য থাকছে সালোয়ার-কামিজ, লং ফতুয়া, ফ্লোরাল প্যাটার্নের কামিজ, শাড়ি, পাঞ্জাবি, শার্টসহ বিবিধ ফ্যাশন অনুষঙ্গও। অঞ্জন’সে সামার ফিউশন সময়োপযোগী আরামদায়ক পোশাকের দিকে নজর সবার। এ কারণেই গরমের এই সময়টায় সুতি এবং ভয়েল কাপড়ের কাটিং বৈচিত্র্যের পোশাক এনেছে লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড অঞ্জন’স। ট্রেডিশনাল সালোয়ার কামিজ, শাড়ি আর শার্টের পাশাপাশি তরুণীদের জন্য থাকছে পশ্চিমা ঢঙের ফতুয়া। গরমের জন্য হালকা রঙের পাশাপাশি পোশাকের ক্যানভাসে ফেব্রিক দিয়ে করা হয়েছে ডিজাইন। এ ছাড়া ব্লক, স্ক্রিন প্রিন্ট আর এমব্রয়ডারির কাজ থাকছে পোশাক জুড়ে। গরমের এই বিশেষ পোশাকগুলোর দাম ৮০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। কটন ক্লাব ঈদের আনন্দকে আরও উত্সবমুখর করতে কটন ক্লাব এনেছে শতাধিক ডিজাইনের ছেলেদের শার্ট ও শর্ট শার্ট। তরুণ ক্রেতাদের কথা চিন্তা করে কটন ক্লাব এবার এক্সক্লুসিভ ডিজাইনের ক্যাজুয়াল শার্টের এক বড় কালেকশন বাজারে ছেড়েছে। এ ছাড়া কটন ক্লাব বেশকিছু ডিজাইনের ফতুয়া ও শর্ট শার্টের কম্বিনেশনের শার্ট এনেছে। বিভিন্ন কালারের এসব পোশাকে কাপড় হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে শতভাগ কটন। এসব পোশাক পাওয়া যাবে কটন ক্লাবের ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া ও কুমিল্লার শো-রুমগুলোতে। গ্রামীণ মেলা ঈদ উপলক্ষে ফ্যাশন হাউস গ্রামীণ মেলায় এসেছে ঈদের রকমারি তাঁতের শাড়ি। টাঙ্গাইলের লাবলু-বাবলু এসব শাড়ির ডিজাইন করেছেন। এ ছাড়াও গ্রামীণ মেলায় এসেছে ঈদের থ্রি-পিস, ফতুয়া, শার্ট, পাঞ্জাবি ও শিশুদের পোশাক। এসব পোশাক তৈরি করা হয়েছে সুতি, সিল্ক, খাদি, এন্ডি, মসলিনসহ বিভিন্ন তাঁতের কাপড় দিয়ে। বিভিন্ন হাতের কাজ ও প্রিন্টের মাধ্যমে নকশা করা এসব পোশাকে দেখা যাবে ঈদের ভিন্ন মাত্রার আমেজ। মেঘ ফ্যাশন হাউস মেঘ ঈদে এনেছে বৈচিত্র্যময় রং ও নকশার পোশাক। দেশীয় তাঁতের সুতি, সিল্ক, খাদি ও এন্ডি কাপড়ে তৈরি করা হয়েছে এসব পোশাক। বিভিন্ন প্রিন্ট ও হাতের কাজের মাধ্যমে নকশা এসব পোশাকের মধ্যে আছে ছেলেদের পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শার্ট, টি-শার্ট, মেয়েদের থ্রি-পিস, টপস ও শিশুদের পোশাক। নিখুঁত বাংলাদেশ ফ্যাশন হাউস নিখুঁত বাংলাদেশ এই ঈদে এনেছে নানা নকশার পোশাক। সুতি ও আরামদায়ক কাপড়ে তৈরি এসব পোশাকের নকশা করা হয়েছে সুই-সুতার নান্দনিক হাতের কাজের মাধ্যমে। এসব পোশাকের মধ্যে আছে মেয়েদের থ্রি-পিস, ফতুয়া ও স্কার্ট এবং শিশুদের থ্রি-পিস, ফতুয়া, স্কার্ট, শার্ট, পাঞ্জাবি ও ফতুয়া। কারুপল্লী বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের হস্ত ও কুটির শিল্পের প্রতিষ্ঠান কারুপল্লী এনেছে ঈদের পোশাক। এসব পোশাকের মধ্যে আছে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, পাঞ্জাবি ও শিশুদের পোশাক। বিভিন্ন দেশীয় কাপড়ে তৈরি এসব পোশাকের রং ও নকশায় উপস্থাপন করা হয়েছে ঈদের নান্দনিকতা। মুসলিম কালেকশন আসছে রোজার ঈদকে সামনে রেখে মুসলিম কালেকশন এক্সক্লুসিভ নিয়ে এসেছে বাহারি ডিজাইনের সব সুতি শার্ট। ১০০ ভাগ সুতি কাপড়ে তৈরি এক্সক্লুসিভ এসব শার্ট এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তারুণ্যের প্রিয় ব্র্যান্ড মুসলিম কালেকশনে ক্রেতারা পাচ্ছেন শতভাগ প্রিমিয়ার কটন, গিজা কটন, পিওর কটন, মুসলিম স্পেশাল, ইজিপশিয়ান কটনসহ নানা ডিজাইনের সব পার্টি শার্ট। সময় উপযোগী কাপড় ও আধুনিক ফ্যাশনের কথা মাথায় রেখে এসব শার্ট তৈরি করা হয়েছে। ফরমাল ও ক্যাজুয়াল এসব চেক ও স্ট্রাইপ শার্টের কাটিংয়ে আনা হয়েছে ভিন্নতা। প্রাধান্য পেয়েছে সাদা, হালকা সবুজ, খয়েরি, গোলাপি, লাল, নীল, বেগুনি রং। বাসন্তী ঈদ মানে খুশি ঈদ মানে আনন্দ। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উত্সব হলো ঈদুল ফিতর। এই উত্সবকে ঘিরে আমরা সবাই সারা বছর নানান প্রস্তুতি নিয়ে থাকি। যেন এই উত্সবকে সবার মাঝে ভাগ করে আনন্দ উপভোপ করতে পারি। সেজন্য ফ্যাশন হাউস বাসন্তী এনেছে চমকপ্রদ ডিজাইনের সব পোশাক। সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া ও ছেলেদের শর্ট পাঞ্জাবি, ফতুয়া শাড়ি আছে বৈচিত্র্যময় ডিজাইন আর আরামদায়ক কাপড়। যা এ সময়ের উপযোগী। আর বরাবরের মতো বাচ্চাদের জন্যও আছে ভিন্ন ভিন্ন কালেকশন। ওয়ান পয়েন্ট ঈদকে সামনে রেখে ফ্যাশন হাউস ওয়ান পয়েন্ট নিয়ে এসেছে নতুন নতুন ডিজাইনের সব পোশাক । এবারের বিশেষ আয়োজন হিসেবে থাকছে পাঞ্জাবি। প্রতিটি উত্সব উপলক্ষে ওয়ান পয়েন্ট নিয়ে আসে নতুন সব পোশাক। তাই এবারের ঈদের কথা ভেবে ওয়ান পয়েন্ট সেজেছে নতুন সাজে। সিলেটে স্ট্রিট শো নিয়ে প্লাস পয়েন্ট রুচি আর তারুণ্যর সমন্বয় ফ্যাশনের মধ্য দিয়ে পায় ভিন্নমাত্রা। তবে, ফ্যাশন বৈচিত্র্যের প্রকাশ তরুণ-তরুণীদের মাধ্যমে ছড়ালেও ফ্যাশনের সৃষ্টিশীলতা ও বৈচিত্র্যের মূল কারিগর ফ্যাশন হাউসগুলো। এমনই প্রত্যয়ে সিলেটের কামার পাড়াতে স্ট্রিট রানওয়েতে শুক্রবার উন্মুক্ত শো করল প্লাস পয়েন্ট ফ্যাশন ব্র্যান্ড। সন্ধ্যার পরপরই গতানুগতিক ফ্যাশন শোয়ের বাইরে মডেলরা ক্যাজুয়াল আর ফেস্টিভ আউটফিটে অংশ নেয় এতে। মূলত, প্লাস পয়েন্টের ২৩তম শোরুমের দুয়ার খোলার শুভলগ্নে স্ট্রিট শোয়ের এই আয়োজন। এতে, সামনের ঈদ আর সামার ফিউশনকে প্রাধান্য দিয়ে ৪ কিউতে উঠে আসে চলতি ট্রেন্ডের ফিটফাট মেনজ ওয়্যারগুলো। তবে ফোকাস ইন স্টাইলে ক্যাজুয়াল লুকই বেশি প্রদর্শিত হয় এবারের স্ট্রিট ফ্যাশন শোতে। মেনজ ওয়্যারের পাশাপাশি প্লাস পয়েন্টে পাওয়া যাবে ফ্যাশন এক্সেসরিজও। উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে যাত্রা শুরু হওয়া প্লাস পয়েন্টের সর্বমোট শোরুম ঢাকাসহ ২৩টি এবং সিলেটের এটি তৃতীয় শোরুম। টপ টেন ফেব্রিক্স দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক তৈরি ও থান কাপড় বিক্রয় করা প্রতিষ্ঠান টপ-টেন ফেব্রিক্স আসন্ন রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে সেজেছে নতুন সাজে। এবারের ঈদ ফেস্টিভ্যালে বিদেশি নতুন নতুন ব্র্যান্ডের কাপড়ে সাজিয়েছে তুলেছে তাদের প্রত্যেকটি শাখা। এসব কাপড়ের মধ্যে রেমন্ড, রিড অ্যান্ড টেইলর, মন্টি, সক্টাস, ইভার ফেস, লিলেনসহ যাবতীয় কাপড় রয়েছে যা এসেছে ইন্ডিয়া, জাপান, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ইংল্যান্ড থেকে। তরুণ থেকে শুরু করে সকল বয়সী পুরুষদের নিত্য-নতুন ডিজাইনের শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি-পায়জামাসহ সব রকম পোশাকের পিস কাপড় ও থান কাপড়ে সাজানো হয়েছে টপ টেনকে। ঈদের বাড়তি ঝামেলা এড়াতে এখনই অর্ডার দিতে পারেন টপ টেন ফেব্রিক্সের যেকোনো শাখায়। রঙ ঈদ বর্ষার মধ্যে হওয়ায়, ‘রঙ’ বর্ষার বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করে সাজিয়েছে এবারের ঈদ আয়োজন। রঙ চেষ্টা করেছে ঈদ উত্সবে আরামটাকে কীভাবে বেশি দেওয়া যায়। এ জন্য সুুতি কাপড় প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। রং বৈচিত্র্যে বর্ষার নীল রং ছাড়াও হাল্কা বা উজ্জ্বল সব রঙের কম্বিনেশন ব্যবহূত হয়েছে। ব্লক, স্প্রে, টাই-ডাই, স্ক্রিন-প্রিন্ট, এ ছাড়া অ্যাপ্লিক, এমব্রয়ডারি, কারচুপি, আড়ি, হাতের ভরাট কাজ, লেস, কাতানপাড় ইত্যাদি মিডিয়া হিসেবে ব্যবহার করে ভিন্ন এক নান্দনিকতার রূপ দেওয়া হয়েছে। তাঁতের এক্সক্লুসিভ শাড়ির পাশাপাশি হাফসিল্ক, জামদানি, কাতান, মসলিন, রেশমী কটন, ডুপিয়ানের শাড়িতে নিয়ে কাজ করা হয়েছে। শ্রদ্ধা বছর ঘুরে পবিত্র রমজানের মাস চলে এসেছে। একমাস সংযম সাধনার পরে আসবে অনাবিল খুশির ঈদ। ঈদ মানেই বাড়ির ছোট-বড় সবার জন্য বিশেষ নতুন পোশাক। এই সময়ে বাংলাদেশের ফ্যাশন ভুবন আন্দোলিত হয় নব আনন্দে, পোশাকের আয়োজনে আসে নব নব সংযোজন। কিন্তু এই সময়ে উজ্জ্বল রঙিন বাহারি পোশাকের মধ্যে বাড়ির শ্রদ্ধাভাজন প্রিয়জনদের পোশাক বাছাইয়ে অনেক হিমসিম খেতে হয়। তাই শ্রদ্ধাভাজন প্রিয়জনকে প্রতিদিন সুখী করার কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নপূরণের প্রত্যাশায় রঙ এই সময়ে এসে যে উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে তার নাম শ্রদ্ধা। যা প্রবীণদের জন্য বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাশন হাউস। শ্রদ্ধায় ঈদের বিশেষ আয়োজনের পোশাকগুলোতে অফহোয়াইট, সাদা রং, ধূসরসহ অনেক অফটোনের রঙের পাশাপাশি উত্সব হিসেবে লাল-সাদা, হলুদ, নীল, বেগুনি, মেজেন্ডা প্রভৃতি হালকা রঙও ব্যবহার করা হয়েছে। বাড়ির সবচেয়ে বয়স্ক মানুষটার কী কী লাগতে পারে, তা খুঁজে খুঁজে এনে শ্রদ্ধায় সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও শ্রদ্ধার প্রতিটি সামগ্রীতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আরামকে। শ্রদ্ধায় প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার জন্য কেবল পোশাক পরিচ্ছেদ নয়, এ ছাড়াও টুপি, জায়নামাজ, তসবিসহ, ছড়ি, গানের সিডি আরও রয়েছে ম্যাচিং ওড়না, শাল, ধুতি, বিছানার চাদর ছাড়াও প্রয়োজনীয় টুকিটাকি সবই আছে। ওয়েস্ট রঙ আঠার বছর আগে সময়কে রাঙানোর ব্রত নিয়ে বাংলাদেশের ফ্যাশন জগতে গুটি গুটি পায়ে যাত্রা শুরু করেছিল রঙ। সেই থেকে সকলের ভালোবাসায় ও অনুপ্রেরণায় রঙের আজকের এই অবস্থান। এ পথ চলায় সময়ের প্রয়োজনে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রঙ একটি নতুন উদ্যোগ শুরু করেছিল ২০১১ সালে যার নাম শ্রদ্ধা। সময়ের আবর্তনে ফ্যাশন জগতে এসেছে নানা বৈচিত্র্য। তার সাথে তাল মিলিয়ে রঙ এগিয়ে চলেছে সামনের দিকে। তারই ধারাবাহিকতায় ফ্যাশন জগতের আধুনিক বৈচিত্র নিয়ে এবং হাল ফ্যাশনধারীদের স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে রঙ যাত্রা শুরু করল একটি নতুন উদ্যোগে, যার নাম ওয়েস্টরঙ’। ছোট-বড় সকলের জন্য দেশীয় পোশাকে ওয়েস্টার্ন ধাঁচের ছোঁয়া দেওয়া হয়েছে ওয়েস্টরঙের প্রতিটি পোশাকে। এডাপ্ট আমির কমপ্লেক্স, বসুন্ধরা মেইন গেট, বারিধারা শোরুমটিতে ওয়েস্টরঙের যাত্রা শুরু হলো গত ২৯ জুন বিকাল ৪টায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনয় শিল্পী, ফটোগ্রাফার, রূপচর্চাশিল্পী, কণ্ঠশিল্পী, মডেল, সাংবাদিক, মিডিয়াকর্মী, রঙের স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীরা।