হতে চাইলে বিশ্বমানের পেশাদার

সব শিক্ষার্থীই চায় চাকরির নিশ্চয়তা এনে দেবে এমন সব ডিগ্রি অর্জন করতে। শুধু তাই নয়, সেটি হওয়া চাই গ্লোবাল এবং সময়োপযোগী কোর্স। এ ধরনের চাহিদাসম্পন্ন এবং যুগোপযোগী কোর্সের অন্যতম প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং। বিশ্বজুড়ে অন্যতম গ্রহণযোগ্য এই প্রফেশনাল বিষয় পরিচালনা করেছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ। এটি উচ্চ আয়ের পেশাজীবী হওয়ার সাথে গ্লোবাল প্রফেশনালদের কাতারে আসতে অন্যতম কোর্স, যা সম্পন্ন করে বহুজাতিক কোম্পানি বা কর্পোরেট অফিসে বিশেষ করে চিফ ফিন্যান্স অফিসার, অডিটর, আন্তর্জাতিক ফার্মে অ্যাকাউন্টিং পার্টনার, ফিন্যান্স ডিরেক্টর, সিনিয়র ইন্টারনেল অডিটর, বিজনেস অ্যাডভাইসর প্রভৃতি পদে চাকরি পাওয়া যায়। এসিসিএ এবং সিএটি দুটিই প্রফেশনাল কোর্স। এসিসিএ হলো সিপিএ, সিএ, সিএমএ প্রভৃতির সমমানের। এটি জাতিসংঘ স্বীকৃত এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্টেন্টসের মেম্বার। সিএ এবং এসিসিএর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ হচ্ছে আপডেট কারিকুলাম। এটি একমাত্র কোর্স, যা যেকোনো পর্যায়ে ইংল্যান্ডসহ ১৭৩টি দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়। ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা (এফডি) হচ্ছে এসিসিএ’র এন্ট্রি লেভেলের সুট অব কোয়ালিফিকেশনস যা থেকে শিক্ষার্থীরা পূর্বের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চমত্কার কোর্স বেছে নিতে পারে। যারা একেবারেই এন্ট্রি লেভেল থেকে শুরু করতে চায় তাদের এফআইএ’র ইন্ট্রোডাক্টরি সার্টিফিকেট লেভেল থেকে শুরু করতে হবে। যাদের কিছুটা অ্যাকাউন্টিং ব্যাকগ্রাউন্ড আছে তারা এফআইএ’র ইন্টারমিডিয়েট সার্টিফিকেট লেভেল থেকে শুরু করতে পারে। যাদের অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক শক্তিশালী কিন্তু গ্র্যাজুয়েশন নেই তারা এফডির ডিপ্লোমা লেভেল থেকে শুরু করতে পারে এবং শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা লেভেল শেষ করে সরাসরি এসিসিএর স্কিল মডিউলে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। সাধারণ মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করে যে মানের চাকরি পাওয়া যায়, এটি করে বিশ্বজুড়ে তার চেয়ে ভালো মানের চাকরি পাওয়া যায়। এসএসসি-এইচএসসি পাস শিক্ষার্থীরা সিএটি কোর্সে ভর্তি হতে পারে। সিএটি করার পর এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ‘ও’ লেভেল শেষে এফডি-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করতে পারে। আবার ‘এ’ লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। কারও অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যহতি পেতে পারে। এসব বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ :বাড়ি- ৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা; ফোন :৮১৪১৬০১, ৮১৫১৫৬৪। কোর্সটি দ্রুত সময়ে সম্পন্ন করা যায় অনেক কম খরচে। এ ছাড়া বিবিএ-এমবিএ’র সময়সীমার সাথে তুলনা করা গেলে দেখা যাবে, এসএসসি পাসের পর এইচএসসি’র জন্য দুই বছর, বিবিএ’র জন্য ৪ বছর এমবিএ’র জন্য ২ বছর অর্থাত্ প্রায় ৬ থেকে ৮ বছর অপেক্ষা করতে হয় এবং প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে ৫ থেকে ১২ লাখ টাকা লেগে যায়। এ ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগার কারণে খরচও বেশি হয়। কিন্তু এসএসসি-এইচএসসি’র পর যেকোনো শিক্ষার্থী মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হতে পারে, অর্জন করতে পারে অ্যাকাউন্টিংসে অনার্স ডিগ্রি। এসিসিএ-তে একসাথে একটি থেকে চারটি বিষয়ের উপর পরীক্ষা দেওয়া যায়। কোর্সটি ব্রিটিশ কাউন্সিলে পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়। পরীক্ষা বছরে জুন এবং ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। এদের একাধিক ক্যাম্পাস ছাড়াও রয়েছে নিজস্ব ক্যাম্পাসে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষার দেওয়ার সুযোগ।