পড়ার বিষয় মেডিকেল টেকনোলজি

মার্কস ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি (এমআইএমটি) কর্মমুখী স্বাস্থ্য সেবার মহত্ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ৯ম বর্ষ পেরিয়ে ১০ম ব্যাচের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ বছর ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে এমআইএমটিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সের তিনটি বিষয়ে যথাক্রমে ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (ল্যাব), ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (ডেন্টাল) এবং ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (ফার্মেসি)-তে ভর্তি হওয়া যাবে। বিগত ৩ বছরের এসএসসি বা দাখিল পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে জীববিজ্ঞানসহ ন্যূনতম জিপিএ-২.৫০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এ বিষয়গুলোতে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে ভর্তি হতে পারবে। মার্কস ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনলোজি মার্কস গ্রুপের প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০০৩ সালে দেশের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য সেবা ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট পেশার চাহিদার কথা বিবেচনা করে আত্মপ্রকাশ করে। দেশের প্রথম নাক-কান-গলা ও হেড-নেক মাইক্রোসার্জন, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী প্রয়াত ব্রি.জে. (অব.) অধ্যাপক ডা. মাসুদুর রহমান খান এমআইএমটি প্রতিষ্ঠা করেন রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১৪-তে নিজস্ব ভবনে এবং প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে আমৃত্যু এর দায়িত্ব পালন করেন। এমআইএমটি’র অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ডা. মো. তসলিম উদ্দীন, যিনি ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। উপাধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন ডা. হামিদা খাতুন, যিনি মেডিকেল টেকনোলজিতে অত্যন্ত অভিজ্ঞ এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪২জন অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান করছেন, যারা সবাই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে উচ্চডিগ্রি প্রাপ্ত। এখানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত থেকে শিক্ষাক্রম মেনে চলতে হয়। নিয়মিত মাসিক পরীক্ষা ও পাঠক্রমের উপর বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। ক্লাসের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই শুধু চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। এখানে মার্কস গ্রুপের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নিজস্ব হাসপাতাল থাকায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য হোস্টেলের সুবিধা রয়েছে। এখানে সুবিশাল লাইব্রেরি থাকায় শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বই, সহায়ক বই ও বিভিন্ন রকম জার্নাল থেকে তাদের জ্ঞান ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে পারে। এখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা বিএসসি কোর্সসহ উচ্চতর ডিগ্রি নিতে পারে। শিক্ষার মান সম্পর্কে অধ্যক্ষ মো. তসলিম উদ্দীন বলেন, ‘আমরা শিক্ষার ক্ষেত্রে কোনোরকম আপস করি না, ছাত্রদের প্রতিটা কোর্সে পড়া নিয়মিত আদায় করে নিই। শিক্ষার্থীরা যাতে প্রকৃত বাস্তবমুখী শিক্ষা লাভ করতে পারে সে বিষয়ে আমরা অত্যন্ত যত্মবান।’ কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে উপাধ্যক্ষ ডা. হামিদা খাতুন বলেন, ‘আমরা মানসম্পন্ন শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করি, যাতে করে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে পারে। শিক্ষার্থীরা যাতে মানবসেবায় অবদান রাখতে পারে সে বিষয়ে আমরা সর্বদা তত্পর।’ কলেজের সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মার্কস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারিক মাসুদ খান বলেন, ‘আমরা ছাত্রদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ইংরেজি ভাষা কোর্স চালু করেছি, যাতে করে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানে উচ্চতর শিক্ষা লাভ করতে পারে এবং তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি খুঁজে নিতে পারে। আমরা শিক্ষার্থীদের উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে বিদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুযোগ দিয়ে থাকি।’