পড়াশোনায় যদি আনন্দ না থাকে তাহলে শিক্ষার্থী পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে

ঢাকা কমার্স কলেজের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে মাস্টার্স পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি প্রাপ্ত। পড়াশোনার কৌশলটা সবার বেলায় এক হয় না। কেউ অনেক সময় ধরে পড়াশোনা করে আবার কেউ অল্প পড়েই ভালো রেজাল্ট করে। মূল কথা হলো পড়াশোনা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমি সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করার চেষ্টা করেছি । ক্লাশে মনোযোগী ছিলাম। ক্লাশ লেকচার মনোযোগ সহকারে শুনতাম। শিক্ষকের কথার মধ্যে এমন অনেক শব্দ উচ্চারিত হয় যা সারা জীবনের জন্যে রেখাপাত করে। তাই নোট করে রাখতাম প্রয়োজনীয় কথাগুলো। নিয়মিত ক্লাশ করা ভালো রেজাল্টের পূর্বশর্ত। আমার নিকট ইমপোর্টেন্ট বলতে কোন শব্দ ছিল না। পাঠ্যবই, রেফারেন্স বই পড়তাম। সপ্তাহে তিনচার দিন ক্লাশ হতো সেই তিন চার দিনই আমি বেশি পড়তাম। অবশিষ্ট দিনগুলো উত্ফুল্ল চিত্তে কাটাতাম। পড়াশোনায় যদি আনন্দ না থাকে তাহলে শিক্ষার্থী পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। নিরানন্দ পরিবেশ ভালো ফলাফল লাভে অন্তরায়। তাই আমি প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি পত্রিকা, গল্পের বই পড়তাম। একঘেয়েমি পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসতে তা আমাকে সহযোগিতা করত। ছাত্রজীবনের গণ্ডি পেরিয়ে আমি এখন শিক্ষক। পড়াশোনার কোন বয়স নাই। আজন্ম পড়তে হয়। একজন ভালো শিক্ষক হতে হলে কেবল পড়াই নয় আমাকে আয়ত্ত করতে হবে আচার আচরণের দিকগুলো। আমার কথা বলা , বাচন ভঙ্গির দিকে ও খেয়াল রাখতে হবে। আদর্শিক শিক্ষক তথা মানুষ হতে নিরন্তন ব্রত থাকব।