৫ জন ভিনদেশি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষ কিন্তু সে তুলনায় বাড়ছে না জমি। তাই আধুনিক সময়ের বাড়তি জনসংখ্যার আবাসন সমস্যা নিরসনে নির্মিত হচ্ছে বহুতল ভবন। তৈরি হচ্ছে সড়ক, ব্রিজ, বিল্ডিং। আর এসব তৈরির নেপথ্য নায়ক হচ্ছেন একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। বিল্ডিং, সড়ক, ব্রিজ ইত্যাদি তৈরির জন্য নকশা মোতাবেক কাঠামো তৈরি, কাজ পরিচালনায় গুণগত মান রক্ষা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ। এমনই কিছু তরুণ মেধাবী সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কয়েকজনকে নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম জে নি ফা র ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে যে ক’টি পেশা শিক্ষার্থীরা বেশি পছন্দ করে তার অন্যতম হচ্ছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। এর মূল কারণ হচ্ছে এ বিষয়ে পড়াশোনা করলে দ্রুত চাকরি পাওয়া যায়। বেতনও তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। এমনই একজন হলেন জেনিফার। খুব ছোটবেলা থেকেই সায়েন্স নিয়ে আগ্রহ ছিল তার। স্কুল-কলেজে বিজ্ঞান বিষয়টি তাকে বেশি আকৃষ্ট করত। এরপর তিনি তার পরিবারের কথামতো এবং নিজের পছন্দের সাবজেক্ট সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। পাস করার সাথে সাথেই পেয়ে যান চাকরি। তবে প্রথম কর্মস্থলে খুব বেশিদিন ছিলেন না। প্রায় দুই বছরের মধ্যেই নতুন একটি কোম্পানিতে জয়েন করেন তিনি। ফি লি প বিখ্যাত কোম্পানি ভিলাকমের সাথে স্পেশালিস্ট হিসেবে কাজ করছেন ফিলিপ। একদিনে এই পদে আসেননি তিনি। তাকে করতে হয়েছে নানা প্রতিকূলতার সাথে সংগ্রাম ও সমঝোতা। ২০০৬ সালে তিনি প্রথম এই কোম্পানিতে আসেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো এ কোম্পানির তিনিই হলেন সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি তরুণ ইঞ্জিনিয়ার। এর আগে ২০০০ সাল থেকে তিনি ভিলাকমের মেম্বার হিসেবে ছিলেন। এরপর হঠাত্ করেই তার সামনে সুযোগটি চলে আসে। সেই সুযোগের হাত ধরে তিনি আজ বর্তমানের সফল একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি সিবিএস কর্পোরেশন কিনে নেন। ট্র্যা ভে জ স্পেশালিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, তাও এই অল্প সময়ের মধ্যেই। ব্যাপারটা যেন তিনি নিজেই ঠিক বিশ্বাস করতে পারেন না। তার কাছে প্রায়ই মনে হয়, ব্যাপারটি কিছুটা অদ্ভুতই বটে। তবে অদ্ভুত হলেও সত্যি যে, তিনি ‘কোনিজান্ট টেকনোলজি সলিউশনস’ কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট। একই সাথে তিনি এই কোম্পানির একজন বোর্ড অব ডিরেক্টর। এর আগে তিনি এই কোম্পানিতেই একজন কর্মচারী হিসেবে ছিলেন। ২০০৭ সালে তাকে প্রেসিডেন্টের আসনে বসানো হয়। সেই সাথে তিনি তার আগের পোস্টটিও বজায় রেখেছেন। চিফ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেও কাজ করে চলেছেন তিনি। তাদের কোম্পানির কাজ হলো বিভিন্ন টেকনিক্যাল বিষয়ে যত সব সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধান করে দেওয়া। লি ন্ডা তিনি একইসাথে একজন অংশীদার ইয়েল কর্পোরেশনের এবং আইসেনহাওয়ার ফেলোশিপ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং বর্তমানে ইউএস-ইন্ডিয়া বিসনেস ফার্মে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। ইন্দ্রা নুই ১৯৯৪ সালে পেপসিকোতে যোগদান করেন এবং ২০০১ সালে তাকে কোম্পানির সভাপতি এবং চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে মনোনীত করা হয়। কোম্পানির বিশ্ব-পরিচালন ব্যবস্থাকে তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, যার মধ্যে পেপসিকোর ১৯৯৭ সালের পুনর্গঠন হয়, যাতে ট্রাইকোন নামক রেস্তোরাঁগুলো থেকে কোম্পানির বিচ্ছিন্নকরণও অন্তর্গত, যা বর্তমানে ইয়াম! ব্র্যান্ডস নামে পরিচিত। জে ন বাসায় কম্পিউটার নিয়ে কাজ করা শুরু করেন তিনি। কম্পিউটার ব্যবহার করে গেম খেলেন এমন মানুষদের দলে নন তিনি। কম্পিউটারের শুরুর দিকে সব ছিল ডিজাইনিংয়ের কাজ। এরপর সেগুলোর সাথে আরও ভালোমানের গ্রাফিক্স এল। এরপর তিনি সবসময় ডিজাইনিং নিয়েই মেতে থাকতেন। ইউনিভার্সিটিতে তাকে পছন্দের সাবজেক্ট নিতে বলা হলে তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বেছে নেন। পড়াশোনায় বেশ আগ্রহও ছিল তার। খুব ভালো রেজাল্ট করেছিলেন তিনি। পাস করার সাথে সাথেই চাকরি পেয়ে যান। বেশ নামকরা একটি কোম্পানিতে কাজ করেন তিনি। সেখানকার হেড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন প্রায় তিন বছর ধরে।