হকি খেলোয়াড়দের কাছে সময় চাইলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

এশিয়া কাপ হকি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে দলবদল সম্পন্ন হোক এমনটা চায় হকি খেলোয়াড়রা। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা গতকাল বিকালে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকারের কাছে এ দাবি জানালে তিনি তাদের এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দেন। শুধু তাই নয় এ জন্য তিনি খেলোয়াড়দের কাছে সময় চেয়েছেন। খেলোয়াড়রাও মনে করছেন সমাধান হবে। ক্রীড়া মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের পর খেলোয়াড়রা সচিবালয় থেকে বেরিয়ে হকি স্টেডিয়ামে এলে জাতীয় দলের খেলোয়াড় আসাদুজ্জামান চন্দন সংবাদ মাধ্যমকে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ২৬ জুলাই জাপানে যাচ্ছেন। অপরদিকে ২৭ জুলাই দেশে ফিরবেন হকি ফেডারেশন সভাপতি। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশে ফিরে আলোচনা করবেন ফেডারেশন সভাপতির সাথে, ক্লাবগুলোর সাথেও বসবেন তিনি। চন্দন বলেন,‘ উনি (ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী) আমাদের কাছ থেকে সময় নিয়েছেন। ২ আগস্টের মধ্যে সমস্যার সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন।’ খেলোয়াড়দের সাথে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে। কিন্তু গতকাল দুপুরে ফোন করে খেলোয়াড়দের ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় সচিবালয়ে। আট জন খেলোয়াড় গিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে। এরা হলেন জাতীয় দলের গোলকিপার অধিনায়ক জাহিদ হোসেন, রাসেল মাহমুদ জিমি, চন্দন, শেখ মোঃ নান্নু, ইমরান হাসান পিন্টু, তুহিন, খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সভাপতি রাসেল খান বাপ্পী এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স। এদিকে খেলোয়াড়রা দাবি করেন, তাদেরকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। জিমি এ ব্যাপারে গতকাল জানিয়েছেন আন্দোলন করলে এশিয়া কাপে বিকেএসপিকে পাঠানো হবে, খেলোয়াড়দের বাসায় র্যাব পাঠানো হবে বলে তার মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের এসএমএস পড়ে শোনান। জিমি বলেন, ‘একটা অপরিচিত নম্বর থেকে এসেছে এসএমএস। ‘আমি ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু সাড়া দেয়নি। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে আমরা বলেছি আপনি অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। আপনার অপেক্ষায় থেকে এখন র্যাবের হুমকি পাচ্ছি আমরা। অধিনায়ক জাহিদ বললেন, ‘বিকেএসপির পাঁচ খেলোয়াড় জাতীয় দলের ক্যাম্পে রয়েছেন। তাদের ডেকে নিয়েও ভয় দেখানো হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে দলবদল হয়েছে, এখন চলছে জুলাই। আমরা তো এই দলবদলের উপর নির্ভর করি।’ জানা গেছে খেলোয়াড়রা দলবদলের জন্য ২ আগষ্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। এরপর তারা কঠোর আন্দোলনে যাবেন। সেক্ষেত্রে খেলোয়াড়রা জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যেতে পারেন।