কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা চাকরি পাবেন
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০১৩, ২২:৫৫
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সম্প্রতি কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সমালোচনা করে জিয়া বলেন, তাদের আন্দোলন যৌক্তিক, সরকার অন্যায়ভাবে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের দিয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করিয়েছে। আমরা আগামীতে ক্ষমতায় গেলে এ ঘটনায় ভিডি?ও ফুটেজ দেখে মেধার ভিত্তিতে চাকরি দেয়া হবে। এই সরকারের আমলে বাদ গেলেও সবাই চাকরি পাবেন, কেউ বাড় পড়বে না।
তিনি বলেন, দেশের এখন দুঃসময় যাচ্ছে। জনগণ সময়মতো এ সরকারকে উপযুক্ত শাস্তি দেয়ার অপেক্ষায় আছে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে জনগণ তাদের শাস্তি দেবে। কারণ সরকার চার বছরে কোনো ভালো কাজ করেনি, দেশের কোনো উন্নয়ন করেনি। মিথ্যাচার, অত্যাচার ও দুর্নীতি ছিল তাদের মূলনীতি। বিএনপি আগামীতে ক্ষমতায় গেলে ব্যাপক পরিবর্তন ও সংস্কার এনে নতুন ধারার সরকার গঠন করবে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। গতকাল সোমবার রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে ১৮ দলীয় জোট শরিক ইসলামী ঐক্যজোটের ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হয়নি। নির্বাচন কমিশন মেরুদণ্ডহীন ও অথর্ব। তাদের নিজেদের কথা বলার যোগ্যতা নেই। তারা শক্ত হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হতো।
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামীর সভাপতিত্বে ইফতারে আরো অংশ নেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, এডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও আব্দুস সালাম প্রমুখ। ১৮ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল হালিম, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির শামসুল আলম, ইসলামী ঐক্যজোটের আব্দুর রকীব এডভোকেট ও আব্দুল হাসনাত আমিনী, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্তুজা, ইসলামিক পার্টি সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মুবিন, লেবার পার্টি চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও এনপিপি মহাসচিব ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ প্রমুখ। ইফতার-পূর্ব আলোচনায় ইসলামী ঐক্যজোটের সাবেক আমির মুফতি ফজলুল হক আমিনীর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন ১৮ দলের শীর্ষ নেতারা।