ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিংয়ের দুই ক্লায়েন্ট

ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিংয়ের বিভিন্ন সার্ভিস ব্যবহার করে থাকেন অনেকেই। গুগল টক, ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার, আউটলুক (আগের লাইভ) তো বটেই, ফেসবুক, টুইটারের রয়েছে চ্যাটিংয়ের সুবিধা। ফলে দেখা যায় একই ব্যক্তিকে একাধিক ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং বা চ্যাটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হয়। আলাদা করে সবগুলো প্ল্যাটফর্ম সবসময় খোলা রাখাটা কঠিন কাজ বটে। এই কঠিন কাজটি সহজ করতেই রয়েছে কিছু ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং ক্লায়েন্ট যেগুলো ব্যবহার করে প্রায় সব ধরনের ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং বা চ্যাটিং প্ল্যাটফর্মকে যুক্ত করা যায়। ট্রিলিয়ান উইন্ডোজ, ম্যাক, আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড, ব্ল্যাকবেরি এবং ওয়েবে কাজ করে ট্রিলিয়ান। ক্লাসিক একটি ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং ক্লায়েন্ট হিসেবে ট্রিলিয়ান প্রথম দিককার একটি সার্ভিস যেটি মাল্টি-প্রোটোকল সমর্থন করে। ফেসবুক চ্যাট, উইন্ডোজ লাইভ, টুইটার, গুগল টক, এআইএম, ইয়াহুসহ প্রায় সব ধরনের ম্যাসেজিং প্রোটোকল সমর্থন করে এটি। ট্রিলিয়ানের বড় একটি ফিচার হচ্ছে এটি সব ধরনের প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সিনক্রোনাইজ করতে পারে। ফলে আপনি যে ডিভাইসই ব্যবহার করুন না কেন, ট্রিলিয়ান থাকলে সব ডিভাইসেই সব প্রোটোকল থেকে ম্যাসেজের তাত্ক্ষণিক আপডেট পাবেন। পিসি বা ম্যাকের পাশাপাশি মোবাইল প্ল্যাটফর্মেও চমত্কার কাজ করে ট্রিলিয়ান। আপনি যদি নানা ধরনের ম্যাসেজিং সার্ভিস ব্যবহার করেন এবং নানা ধরনের ডিভাইসে এগুলো আপনাকে ব্যবহার করতে হয়, ট্রিলিয়ান ব্যবহার করে সব ডিভাইসেই একটি উইন্ডোতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন সবগুলো ম্যাসেজিং সার্ভিস। ই-বাডি পিসির পাশাপাশি এখন বড় একটি সময় কাটে মোবাইল ফোনে। মোবাইল প্ল্যাটফর্মের জন্য সব ধরনের ম্যাসেজিং সার্ভিসকে একটি উইন্ডোতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ইবাডি ব্যবহার করে। উইন্ডোজ ম্যাসেঞ্জার, ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার, এআইএম, হাইভস, আইসিকিউ, গুগল টক, মাইস্পেস ছাড়াও এটি ফেসবুক সমর্থন করে। এর একটি ইন্টারফেস ব্যবহার করেই সবগুলো ম্যাসেঞ্জার এবং চ্যাটিং প্ল্যাটফর্মের অ্যাকাউন্টকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে এটি আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড, নকিয়ার সিমবিয়ান, উইন্ডোজ মোবাইল সমর্থন করে।