সতীন ও শিশু কন্যা হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০১৩, ২২:৫২
গোপালগঞ্জ জেলার কাসিয়ানী থানার ফলসী গ্রামে সতীন তাসলিমা ও তার ৬ মাসের শিশু কন্যা হত্যার দায়ে খাদিজা বেগমকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। অপর আসামি নওশাদ ফকিরের বিরুদ্ধে তাসলিমা হত্যার কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। তবে সাক্ষ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য সরবরাহের অপরাধে তাকে দেয়া হয়েছে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড। অনাদায়ে তাকে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক গতকাল সোমবার এ রায় দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি খাদিজা বেগমকে কারাগার হতে আদালতে হাজির করা হয়। এছাড়া অপর আসামি নওশাদ পলাতক রয়েছেন। পলাতক থাকায় তার আত্মসমর্পণ বা গ্রেফতারের তারিখ থেকে সাজার মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ১ জুলাই খাদিজা ও নওশাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে।
ঘটনায় বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩১ জানুয়ারি রাতে প্রথম স্ত্রী তাসলিমা তার স্বামীকে তালাক দেয়ায় জন্য সতীন খাদিজাকে কাঠের চেলা দিয়ে মারধর করেন। এরপর স্বামী বাড়ি না থাকায় খাদিজা ঘুমন্ত তাসলিমাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই সময় খাদিজা তাসলিমার ৬ মাসের শিশু সাদিয়াকেও করেন গলা টিপে হত্যা। এ ঘটনায় স্বামী নওশাদ ফকির কাসিয়ানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।