ভিনদেশি ৩ জন : রেস্টুরেন্ট উদ্যোক্তা
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০১৩, ২০:১২
ডে ভি ড মি লা ন
মাত্র ৩০ বছর বয়সেই সফলতার চূড়ায় পৌঁছে গেছেন ডেভিড মিলান। ছোটবেলা থেকেই নিজস্ব ধ্যান-ধারণার উপর দারুণ আস্থা ছিল তার। ক্রিয়েটিভ কাজ করার জন্য সবসময়ই আগ্রহী ছিলেন তিনি। চাইতেন নিজের মতো কিছু করে দেখাতে। পড়াশোনার সম্পন্ন করেন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে। পড়াশোনা শেষে চাকরি নয় নতুন কিছু করে দেখাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তিনি তার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে শুরু করেন একটি রেস্টুরেন্ট। উদ্যোক্তা হিসেবে প্রথমে বেশ পরিশ্রম করতে হলেও ধীরে ধীরে লাভের মুখ দেখেন তারা। যার প্রমাণ ‘ডেভিড বার্গার কর্নার’ নামের এই রেস্টুরেন্টটি বর্তমানে আরও দুটি শাখা চালু করেছে।
০০০০
নি ড ম্যা ন
মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি একজন সফল ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। ক্যারিয়ার হিসেবে নিজের পছন্দের কাজটিকেই বেছে নিতে চেয়েছিলেন সবসময়। আর তাই একটি স্কুলের পাশেই খানিকটা জায়গা নিয়ে শুরু করেন রেস্টুরেন্টের ব্যবসা। অন্য সবার চেয়ে তার কাজ ছিল একটু ভিন্ন ধরনের। তিনি একই রকমের খাবার একটু ভিন্ন উপায়ে পরিবেশন করতেন। আর সেই সুবাদেই পেয়ে যান জনপ্রিয়তা। বর্তমানে তিনি একটি বিশাল রেস্টুরেন্টের মালিক। সেখানে মূলত ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবারই বেশি পাওয়া যায়। আমেরিকার সফল তরুণ উদ্যোক্তাদের নামের তালিকায় আজ তিনি প্রথম সারিতেই অবস্থান করছেন।
০০০০
মা র্থা
মানুষের শখ ও চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবার কাছেই জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে বাইরের খাবার দোকানগুলো। ঘরের তুলনায় বাইরে খেতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন অনেকেই। আর তাই বেড়ে চলেছে রেস্টুরেন্টের সংখ্যা। মার্থা প্রথমে অন্যের রেস্টুরেন্টে কাজ করলেও বর্তমানে নিজেই একটি রেস্টুরেন্টের মালিক। তিনি তার নিজের রেস্টুরেন্টের ইন্টেরিয়রের কাজ করেছেন। সেই সাথে দিয়েছেন ভালো স্বাদের খাবারের নিশ্চয়তা। এই দুইয়ে মিলে তার রেস্টুরেন্ট সবসময়ই ভরা থাকে। শুধু তাই নয়, তিনি বিভিন্ন হোটেলের সাথে মিলেও কাজ করে থাকেন। দারিদ্রতায় ভরা নিজের অতীতের কথা মনে রেখে নিজের রেস্টুরেন্টে দরিদ্রদের জন্য অল্পমূল্যে খাবার সরবরাহের বিষয়টিও রেখেছেন মার্থা।