ফিচার
তারুণ্যের মিউজিক সিস্টেম
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০১৩, ১৯:২১
তরুণদের মাঝে গানের যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি পেতে থাকে যখন এ দেশে মিউজিক সিস্টেম তৈরির একটা প্রবণতা তৈরি হয়। এ সময় ঢাকাই মার্কেটে প্রচুর অ্যামপ্লিফায়ারের সার্কিট পাওয়া যেত। আর সাথে স্পিকার বানানোর জন্য পাওয়া যেত বড় মাপের স্পিকার। এসব দিয়ে স্পিকার নিজে বানিয়ে গান শোনাটা একসময় তারুণ্যের ক্রেজ ছিল। কিন্তু বর্তমানে এই জায়গা দখল করে নিয়েছে কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য তৈরি স্পিকার। শুধু কম্পিউটারের সাথেই নয়; আলাদা সিডি-ভিসিডি প্লেয়ার কিনে তার সাথে কম্পিউটারের এসব স্পিকার জুড়ে দিয়ে তৈরি হচ্ছে গান শোনার যন্ত্র।
সাউন্ড সিস্টেম কিনতে গেলে খেয়াল রাখুন
যে ঘরে আপনি সাউন্ড সিস্টেমটি বাজাবেন সে ঘরের উচ্চতা, আয়তন—এগুলো খেয়াল রাখুন। অপেক্ষাকৃত উঁচু ঘরের জন্য প্রয়োজন ফ্লোর বেজ করে স্পিকার সিস্টেম। আর ছোট ঘরে ছোট ছোট স্যাটেলাইট স্পিকার ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, ছোট আয়তনের ঘরে বিশাল স্পিকার সিস্টেম জুড়ে দিলে সাউন্ড কোয়ালিটি খুব একটা ভালো হবে না।
সাউন্ড সিস্টেম কেনার সময় এর ওয়াট দেখে কিনুন। পিওএমপিও ওয়াট দেখে স্পিকার কিনতে যাবেন না। এর আরএমএস ওয়াট দেখে নিন। প্রয়োজনে স্পিকারের ম্যানুয়াল দেখে নিন।
বড় টেলিভিশনের সাথে মুভি উপভোগ করতে চাইলে কিন্তু ২ চ্যানেলের স্পিকার লাগালে চলবে না। এরজন্য চাই ৫ চ্যানেলের স্পিকার সিস্টেম। অর্থাত্ ৫.১ স্পিকার সিস্টেম। তবে এখন কেনউড বোস-এর মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এমনকিছু স্পিকার তৈরি করছেন যেগুলো ২ চ্যানেলেই ৪ চ্যানেলের এফেক্ট দিতে পারে।
স্পিকারের পারফর্মেন্স নির্ভর করে এর অ্যামপ্লিফায়ারের ওপর। আর তাই চেষ্টা করুন এমন স্পিকার কিনতে যেগুলোতে ডিডিকেটেড অ্যামপ্লিফায়ার ব্যবহার করার সুযোগ আছে।
চেষ্টা করুন এমন স্পিকার কিনতে যেগুলোর বডি কাঠের তৈরি। প্লাস্টিক কিংবা ভিনেইল কর্গ শিট দিয়ে তৈরি স্পিকারগুলোর মান খুব একটা ভালো হয় না। স্পিকারের সাউন্ড পারফর্মেন্স অনেকাংশে আবার এর ওজনের ওপরও নির্ভরশীল। আর তাই স্পিকার কেনার আগে হাতে তুলে দেখুন ওজন কতটা।
ঘরের ভেতর স্যাটেলাইট স্পিকারগুলোর কানেকশন দিতে লম্বা কর্ড লাগবে। তাই কেনার সময় তারগুলো কতটুকু লম্বা দেখে কিনুন।